বাংলাদেশ ক্রিকেটের জয়ের কাব্যে লেখা আছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নাম। দেশের ক্রিকেটে বহু জয়ের উপ্যাখান হয়ে আড়ালে ঠেলে দেওয়া হয়েছে গ্তাকে। অনেকটা বিশ্রামের মোড়কে মোড়ানো মাহমুদউল্লার ক্যারিয়ার।
এশিয়া কাপের জন্য ১৭ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিব)। ১৭ জনের এই দলে জায়গা হয়নি মাহমুদউল্লাহর।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড স্কোয়াড ঘোষণা নিয়ে প্রতিবারই কোনো না কোনো দিক থেকে সমালোচনার তুঙ্গে ছিল। এখনও সে ধারা বজায় রেখেছে বিসিব। শনিবার সকালে এশিয়া কাপের দল ঘোষণা করেছেন ক্রিকেট বোর্ড। সেই ১৭ সদস্যের দলে নেই
বিশ্বকাপ সামনে রেখে এশিয়াকাপের স্কোয়াড থেকে মাহমুদউল্লাহকে বাদ দেওয়ার পর থেকে দেশজুড়ে এই আলোচনায় সরব ক্রিড়াঙ্গন। সবশেষ দশ ম্যাচের গড় রেটিং ৪০ ওপরে থাকলেও তাকে দলে রাখা হয়।
বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বড় মঞ্চের স্কোয়ার্ডে মাহমুদউল্লাহকে রাখা না রাখা নিয়ে কত জলঘোলা হলো। কত...
তামিম—মাশরাফিদের এক ভার্চ্যুয়াল আড্ডায় অবশ্য সাবেক অধিনায়ক মাশরাফিই বলেছিলেন—সত্যি রিয়াদের
চাপ সামলে দুর্বার রাজশাহীর দেওয়া ১৯৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে বিপিএলের ১১তম আসরের প্রথম ম্যাচ জিতল ফরচুন বরিশাল। মাহমুদউল্লা ও ফাহিম আশরাফের ঝরো ব্যান্টিংয়ে ২০০ রান করে বরিশাল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের বেসশির ভাগ প্রশ্নই ছিল বাংলাদেশের এই পেসারকে নিয়ে। অথচ প্রথম ম্যাচে একাদশে রাখা হয়নি পেসার নাহিদ রানাকে। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে খেলানো হয়নি বাংলাদেশের অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহকেও। দলের ভেতর সবয়েছে অভিজ্ঞ এই খেলোয়ারের সেরা একাদশে না থাকাটাও বিস্মিত করেছে অনেককে।
আজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয় দিয়ে ঘুড়ে দাঁড়ানোর জন্য মাহমুদউল্লাহ ও পেসার নাহিদ রানাকে খেলানো হচ্ছে। পোসার তানজিম হাসানের বদলে দলে আছেন নাহিদ রানা।
এই আসরে তারা তেমন কিছু করতে না পারলেও বাংলাদেশ দলের জন্য তাদের যে অবদান রয়েছে, তা গৌরবের তো বটেই অনেকটা ঐতিহাসিকও।
মাহমুদউল্লাহ এখনো নিজের ব্যপারে কোনো কিছু স্পষ্ট করেননি। তার ক্যারিয়ার কোথায় গিয়ে থামবে—এই ধোঁয়াশা তিনি এখনো কাটাননি। বিসিবিও মাহমুদউল্লাহকে রেখেই ২০২৫ সালের কেন্দ্রীয় চুক্তি করেছিল।
এখনএকই ধরণের আলোচনা শুরু হয়েছে মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে। কারণ মাহমুদউল্লাহও চার ওয়ানডে সেঞ্চুরির চারটিই করেছেন আইসিসি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে।
চার সেঞ্চুরির চারটিই যেহেতু আইসিসি ইভেন্টে। তিনটি সেঞ্চুরি ওয়ানডে বিশ্বকাপে, একটি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে। এখানেও অভিজ্ঞাৎতা মধুর। কারণ তার দুটি সেঞ্চুরি বাংলাদেশকে জিতিয়েছে। দুটিতে থাকতে হয়েছে অপরাজিত।
মুশফিকুর রহিম আগেই ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। বাংলাদেশের রঙিন জার্সিতে কেবল ওয়ানডে ক্রিকেটটাই খেলে যাচ্ছিলেন। আজ থেকে এই সংস্করণকেও বিদায় বলে দিয়েছেন। এভাবে আর মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকুর রহিমকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একসাথে জুটি বাঁধতে দেখা যাবে না।
কেউ লিখছেন ‘লিজেন্ড’ কেউ লিখছেন ‘মিস করব’। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেওয়া মাহমুদউল্লাহকে তার অবদানের জন্য ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানিয়েছেন জাতীয় দলের বর্তমান ও সাবেক সতীর্থদের অনেকেই।
ক্রিকেট এক চরম অনিশ্চয়তার খেলা, আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ যেন সেই অনিশ্চয়তারই বরপুত্র। মাত্র এক দিন আগে রাজশাহীর বিপক্ষে ১ বলে ১ রান নিতে