উল্লাপাড়া উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কচিয়ার বিল এলাকায় খাল খননের দাবিতে বুধবার বিকেলে এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরা ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে গণ সমাবেশ ও মানববন্ধন করে।
আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য মঙ্গলবার ৩১ জন মহিলার মধ্যে ক্ষুদ্র ঋণের অর্থ বিতরণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ উজ্জল হোসেন তার কার্যালয়ে মহিলাদের হাতে এই ক্ষুদ্র ঋণের অর্থের
প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর দেওয়ার নামে এক ব্যাক্তির আত্মসাৎ করা ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার করে ভুক্তভোগিদের কাছে ফেরত দিয়েছেন গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্রাবণী রায়। টাকা পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন হত-দরিদ্র ৫ নারী।
পাওয়া না পাওয়ার হিসাব কেবল মে দিবসেই সীমাদ্ধ। নারীর মজুরীর ক্ষেত্রে কেন এতো স্বল্পতা। নারীরা কেবল শ্রমই বিক্রি করেন। কিন্তু পাননা ন্যায্য মজুরী। উদয়স্ত আঠারো আনা শ্রম দিয়ে পান দশ আনা মজুরী।
নারীর মজুরীর ক্ষেত্রে কেন এতো স্বল্পতা। নারীরা কেবল শ্রমই বিক্রি করেন। কিন্তু পাননা ন্যায্য মজুরী। উদয়স্ত আঠারো আনা শ্রম দিয়ে পান দশ আনা মজুরী। যা দিয়ে বর্তমান বাজারে সংসার চালানোই কঠিন।
বেলচা হাতে, মাথায় পাথর বোঝাই ডালী, ফেলা হচ্ছে এক স্তুপ থেকে আরেক স্তুপে। ঘুম থেকে উঠে এভাবেই চলছে দিনের দশ ঘন্টা। সূর্যের প্রখর তাপদাহে শ্রমিকের নিরবিচ্ছিন্ন এ শ্রমের ৮৫ টাকা মুজুরী মুহুর্তেই ম্লান করে দিচ্ছে কোন রকমে বেঁচে থাকার সাধটুকু।
বেলচা হাতে, মাথায় পাথর বোঝাই ডালী, ফেলা হচ্ছে এক স্তুপ থেকে আরেক স্তুপে। ঘুম থেকে উঠে এভাবেই চলছে দিনের দশ ঘন্টা। সূর্যের প্রখর তাপদাহে শ্রমিকের নিরবিচ্ছিন্ন এ শ্রমের ৮৫ টাকা মুজুরী মুহুর্তেই ম্লান করে দিচ্ছে কোন রকমে বেঁচে থাকার সাধটুকু।
আছমা বেগমকে (২০) অন্তসত্তা অবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন স্বামী। সেই থেকে বাপের বাড়িতে থাকেন আছমা। স্বামী ঘর ছাড়া করায়, প্রতিবেশিদের ছোট-বড় কথা গিলতে হতো। নিরুপায় হয়ে নারী সহায়তা কেন্দ্রে অভিযোগ দিয়ে ছিলেন তিনি। অভিযোগের দুই সপ্তাহের মধ্যে আবারো জুড়েযায় তার সংসার।