সিরাজগঞ্জে দ্রুত বাড়ছে যমুনা নদীর পানি। পানি বৃদ্ধির ফলে যমুনা অভ্যন্তরে চরাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে
উপজেলার অষ্টমিরচর ইউনিয়নের মুদাফৎ কালিকাপুর, ডাটিয়ার চর, নটারকান্দি, খোর্দবাসপাতারি, নয়ারহাট ইউনিয়নের বজরাদিয়ারখাতা, ফেইচকা, দক্ষিনখাউরিয়া, গয়নারপোটল, চিলমারী ইউনিয়নের করাইবরিশাল,
কক্সবাজারে অতিবৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। কক্সবাজারে ২৪ ঘন্টার ৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।
ভারী বৃষ্টিতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়েছে কক্সবাজারের ৭টি উপজেলার অন্ততঃ ৩০০ গ্রাম। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে প্রায় এক লক্ষ মানুষ। খাবার ও পানীয় জলের সংকটে পড়েছে প্লাবিত এলাকার লোকজন।
এখনো প্লাবিত ফেনী জেলার ছয় উপজেলা। পানি সরে যায়নি। পানিবন্দী হয়ে লাখ লাখ মানুষ দুর্ভোগ
অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় কক্সবাজারে প্লাবিত এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সারাদিন বৃষ্টি না হওয়ায় প্লাবিত এলাকা থেকে পানি নেমে যাচ্ছে।
এ বছরের বর্ষায় দুই দফায় ডুবেছে চলনবিল। সময় গড়িয়ে গেলেও বিলে ঢুকে পরা পানি সম্পূর্ণ বের হতে পারেনি। এখানো পানির নিচে রয়েছে নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলার প্রায় ২ লাখ হেক্টর ফসলি জমি। প্লাবিত এসব জমিতে রবিশষ্য চাষ করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
ঈদ মানে আনন্দ,ঈদ মানে খুশি। তবে উপকূলবাসীর সকল আনন্দ, খুশি পানিতে ভেসে গেছে। কারণ সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার ৯
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় কপোতাক্ষ নদের উপকূল রক্ষা রিং বাঁধ ভেঙে প্রায় ৪'শ বিঘা মৎস্য ঘের প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে নিম্নচাপের প্রভাবে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে ১২৫টি ঘর ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শনিবার (৩১ মে) সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন হাতিয়া
কয়েকদিনের টানা মুষলধারায় বৃষ্টিপাতে জেলার অধিকাংশ এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতার হয়েছে। জনবসতি, মৎস্যঘের, সবজি ক্ষেত জলমগ্ন ও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। অনেক স্থানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়ী বাঁধ হুমকীর মুখে পড়েছে। এতে করে জনজীবন বিপর্যয় হয়ে পড়েছে। বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে অমাবস্যা ও নিম্নচাপের প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উপকূলীয় এলাকার নিম্নাঞ্চলের মানুষের জনজীবন।
বন্যাপ্লাবিত ও নদী ভাঙ্গনের জনপদ হিসেবে পরিচিত গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা। পদে পদে নদীভাঙন, বর্ষায় কাদাজলমাখা ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট আর নিত্য দুর্ভোগ যেন এখানকার মানুষের জীবনের অংশ ছিল। কিন্তু সময় বদলাচ্ছে।