নদীর এপার ভাঙে ওপার গড়ে, এইতো নদীর খেলা। নদীর ভাঙা গড়ার খেলা আর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুঃখ দেখে মরমী শিল্পীরা এই গানটি গেয়েছিলেন।
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় নদী ভাঙনে হুমকির মুখে পূর্বদেলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৪৭ সালে ৯০ শতক জায়গায় ওপরে প্রতিষ্ঠিত হয় বিদ্যালয়টি। প্রতিষ্ঠানটিতে ২ শতাধিক শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। পাশেই বয়ে গেছে মুক্তাহার নদী। মুক্তাহার নদীর পাড়ে বিদ্যালয়টি
নদীভাঙনের কবলে পড়ে কারো কারো ঠিকানা বদলেছে। কারো বদলেছে জীবনযাত্রা। আবার কেউ সব হারিয়ে সেই নদীর তীরকে আকড়ে ধরে বাস করছেন। এই নদী ভাঙনের সাথে এসব মানুষের পরিচয়টা বহু পুড়নো।
মানববন্ধনে বানভাসী শত শত নারী ও পুরষ অংশ গ্রহণ করেন। মানববন্ধনে ওয়াসিম আকরা বলেন, বিগত ২৫-৩০ বছর ধরে বিছট গ্রামে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধে ভাঙন চলছে। অব্যহত নদী ভাঙনে শতাধিক বিঘা ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নে নদী ভাঙন রোধে ব্লক স্থাপন, বামনী নদীতে ক্লোজার (বাঁধ) নির্মাণ ও বামনী রেগুলেটর চালু করার দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে।