এ বছরের বর্ষায় দুই দফায় ডুবেছে চলনবিল। সময় গড়িয়ে গেলেও বিলে ঢুকে পরা পানি সম্পূর্ণ বের হতে পারেনি। এখানো পানির নিচে রয়েছে নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলার প্রায় ২ লাখ হেক্টর ফসলি জমি। প্লাবিত এসব জমিতে রবিশষ্য চাষ করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
হিম শীতল বাতাশ। ভোরের কুয়াশা। প্রকৃতির এমন কতশত বৈরিতা ছাপিয়ে ষাটোর্ধ দিনমজুর আক্কাছ আলীরা এসেছেন পেটের তাগিদে। শরীরটা চাদরে মুড়িয়ে হাতে কাস্তে-কোদাল আর কাঁদে ধান বাহনের বাক নিয়ে অন্যদের মতো নিজেকে তুলেছেন শ্রমিকের হাটে
পাবনার সাঁথিয়ায় সোঁতি জালে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে পেঁয়াজের আবাদ। এতে করে জমিতে ধান কাটতেও দেরি হচ্ছে। ফলে সেখানে পেঁয়াজসহ অন্য রবিশস্যের আবাদ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।