—ছবি মুক্ত প্রভাত
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করনের দাবিতে টানা পঞ্চম দিনের মধ্যে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা।
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের ব্যানারে শিক্ষকরা এই কর্মসূচি পালন করছেন।
আরো পড়ুন———
> বেতন নিয়ে শিক্ষকদের যে নির্দেশনা দিল মাউশি
> শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
> আন্দোলনরত নিবন্ধনধারীদের দাবি পূরণ হচ্ছে
> বেতন নিয়ে শিক্ষকদের যে নির্দেশনা দিল মাউশি
আজ রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান শিক্ষকেরা। আজও অর্ধদিবস কর্মবিরতিও পালন করেছেন আন্দোলনকারীরা।
ওই আন্দোলন থেকে জাতিয়করণের বিষয়ে নতুন এক কর্মসূচির ঘোষনা দিয়েছেন শিক্ষকেরা। এবার বেসরকারি শিক্ষকদের, এই আন্দোলনের স্লোগান দেওয়া হয়েছে 'চল চল ঢাকা চল, জাতীয়করণ আদায় করো।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ, শতভাগ উৎসব ভাতা, বাড়িভাড়াসহ নানা দাবি রয়েছে এই কর্মূসিচর মধ্যে।
শিক্ষক নেতা আবুল বাসার বলেন, ‘আন্দোলন থেকে জ্যেষ্ঠা নেতারা গ্যাদারিং ফর ন্যাশনালাইজেশন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। আশা করি সরকার শিক্ষকদের এই যৌক্তিক দাবি মেনে নেবে।’
এর আগে জাতীয়করণের এই দাবি শনিবারের মধ্যে না মানা হলে আগামী রোববার থেকে অবস্থান কর্মসূচির সাথে অর্ধদিবস কর্মবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ অবস্থান কর্মসূচি থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের এই কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা এই আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন।
শিক্ষক নেতা আবুল বাসার বলেন, ‘শিক্ষকদের জাতীয়করণের দাবি যৌক্তিক। আমরা আশা করি সরকার এই যৌক্তিক দাবি মেনে নেবে। ইতিমধ্যে অর্ধদিবস কর্মবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।যদি দাবি না মানা হয়, তাহলে কর্মবিরতিসহ আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।
আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা বলেন, জাতীয়করণের ব্যপারে সরকারের সুস্পষ্ট ঘোষণা ছাড়া জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে সরবেন না তারা। অবিলম্বে সরকার এই যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান তাদের।
একই সঙ্গে দেশের সব এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়করণের আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বানও জানান তারা।