—ছবি মুক্ত প্রভাত
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে চালু হচ্ছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম। এসব শিক্ষকরা নিজ উপজেলা বা থানা এলাকার ভেতরে বদলি হতে পারবেন। আজ রোববার (২৬ জানুয়ারি) থেকে অনলাইন ভিত্তিক এই বদলি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
১৬ জানুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে ২০ জানুয়ারি থেকে বদলি শুরুর কথা বলা হয়েছিল। পরে তা সংশোধন করে ২৬ জানুয়ারি থেকে শুরু করে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত বদলির আবেদন করার সময় নির্ধারণ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
আরো পড়ুন———
> শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে মাউশির জরুরী নির্দেশনা
> যেসব শর্তে বদলি হতে পারবেন শিক্ষকরা, সবশেষ নীতিমালায় যা আছে
> শিক্ষকদের জন্য সুখবর দিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর
> শিক্ষকদের এমপিও নিয়ে এনটিআরসিএ’র নতুন সিদ্ধান্ত
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে.বদলির জন্য সহকারী শিক্ষকদের অনলাইনে আবেদনের সময়সীমা ধরা হয়েছে ২৬ খেকে ২৯ জানুয়পারি পর্যন্ত। এরপর ৩০ জানুয়ারি প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে সহকারী শিক্ষকদের আবেদন যাচাই করা হবে। ৩১ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সহকারি উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তা আবেদন যাচাই সম্পন্ন করবেন। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি তেকে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে যাচাই ও অগ্রায়ন করা হবে। এরপর ৯ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সহকারী শিক্ষকের আবেদন যাচাই সম্পন্ন করবেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।
আরো পড়ুন———
> শিক্ষকরা রাজনীতি করলে ব্যবস্থা
ওই বিজ্ঞপ্তিতে বদলির শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, সহকারী শিক্ষকরা পছন্দের ক্রমানুসারে বদলির জন্য সর্বোচ্চ ৩টি বিদ্যলয় নির্বাচন করতে পারবেন।কোনো শিক্ষকের একাধিক পছন্দ না থাকলে শুধুমাত্র এক বা দুটি বিদ্যালয়ও পছন্দ করতে পারবেন। তবে আবেদনের পর বদলির আদেশ জারি হয়ে গেলে তা বতিল করতে পরবর্তীতে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, বদলির আবেদন যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা সতর্কতার সাথে কাজ করবেন। কারণ যাচাইয়ের পর কাগজপত্র পাটিয়ে দিলে তা পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
আবেদনকারী শিক্ষকের পছন্দক্রম অনুসারেই যে বদলি হবে, সেই নিশ্চয়তা নেই বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ব্যাখ্যায় আরো বলা হয়েছে, একাধিক আবেদনকারী যদি একই বিদ্যালয় নির্বাচন করে থাকেন, সেক্ষেত্রে সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে। এক্ষেত্রে কোনোরকম ব্যকক্তিহত হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।