জাতীয়
গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং তাঁদের স্বজনদের পাশে দাঁড়াতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন
মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সামরিক জান্তা ও সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান তীব্র সংঘাতের জেরে বাংলাদেশ সীমান্তে
চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মতো পরাশক্তির দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কৌশলগত সম্পর্কের মূল ভিত্তি হবে পারস্পরিক লাভ এবং দেশের
বিগত ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে সশস্ত্র বাহিনীতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বঞ্চনা ও অবিচারের শিকার হওয়া ১৫০ জন