—ছবি সংগৃহিত
সারা দেশে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। ঘন কুয়াশার চাদর আর হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে— মাত্র ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের ১০টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে আগামী দুদিন দিনের বেলা সূর্যের দেখা মিললে শীতের অনুভূতি কিছুটা কমতে পারে।
শৈত্যপ্রবাহের কবলে ১০ জেলা
রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রাজশাহীর পাশাপাশি চুয়াডাঙ্গায় ৭.৫ ডিগ্রি এবং পাবনার ঈশ্বরদীতে ৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবারও এই শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
রোদের আভাস ও তাপমাত্রার ওঠানামা
আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, আকাশ কিছুটা পরিষ্কার হওয়ায় রাজধানীসহ দেশের অনেক জায়গায় রোদের দেখা মিলেছে। এতে আগামীকাল বুধবার ও বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে, ফলে দিনের বেলা শীতের তীব্রতা সামান্য কমবে। তবে আকাশ পরিষ্কার থাকলে রাতের তাপমাত্রা আরও কমে গিয়ে রাতে শীতের অনুভূতি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শুক্রবার থেকে আবারও বাড়তে পারে শীত
স্বল্পমেয়াদী এই স্বস্তির পর আগামী শুক্রবার থেকে সারা দেশের তাপমাত্রা আবারও সার্বিকভাবে কমতে শুরু করবে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস। অর্থাৎ সপ্তাহান্তেই শীতের প্রকোপ আরও বাড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
কুয়াশা ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় সতর্কতা
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত (কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত) মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। চালক ও সাধারণ যাত্রীদের চলাচলের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।