—ছবি সংগৃহিত
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না জাতিসংঘ। সংস্থার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক সোমবার নিউইয়র্কে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পর্যবেক্ষক না পাঠানোর কারণ
ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্টিফেন দুজারিক বলেন, “সাধারণ পরিষদ বা নিরাপত্তা পরিষদের সুনির্দিষ্ট ম্যান্ডেট (অনুমোদন) ছাড়া জাতিসংঘ নিজে থেকে কোনো নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠায় না। এটি জাতিসংঘের দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত নিয়ম।” তবে তিনি জানান, নির্বাচনের কারিগরি দিকগুলোতে জাতিসংঘ কান্ট্রি অফিস সহায়তা দিয়ে থাকে। এবারের নির্বাচনে তেমন কোনো কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে কি না, তা তিনি যাচাই করে জানাবেন।
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা
১৭ বছর পর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রেক্ষাপট ও গণতন্ত্রে উত্তরণ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মুখপাত্র সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি বলেন, “খবর বা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা সাংবাদিকদের কাজ। আমরা শুধু বাংলাদেশের জনগণের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং অবাধ মতপ্রকাশের মাধ্যমে যে নির্বাচন হবে, তাকে সব উপায়ে সমর্থন দিয়ে যাব।”
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়। স্টিফেন দুজারিক বলেন, “তাঁর মৃত্যুতে আমরা স্বাভাবিকভাবেই তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”
বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান
জাতিসংঘের এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখলেও সরাসরি পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত হচ্ছে না। তবে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে—এমন প্রত্যাশা বারবার ব্যক্ত করছে বিশ্ব সংস্থাটি।