নাসির নগরে হাড়কাঁপানো শীত, খরখুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসির নগর উপজেলায় মৌসুমি শীতের প্রভাবে হঠাৎ করেই শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। হিমেল বাতাস আর কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।
সোমবার (৫ জানুয়ারি ) সকাল ৯টায় নাসিরনগরে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। রবিবার বিকেল ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আজ সোমবার উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হিমেল বাতাস ও শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে খেটে খাওয়া মানুষের চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে , এছাড়া তীব্র শীতের ফলে দেখা দিচ্ছে শিশু- বৃদ্ধদের ঠান্ডা জনিত নিমোনিয়া সহ বিভিন্ন রোগের প্রকোভ।
তবে আগামী কয়েকদিন এমন পরিস্থিতি থাকতে পারে বলে অনেকেরই ধারণা। সকাল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছিল হালকা কুয়াশা হাড়কাঁপানো শীত।
সকাল থেকে সারা দিন সূর্যের দেখা মিলছে না বরং হালকা বাতাসে ঠান্ডা আরও বেড়েছে।
শীতের তীব্রতায় গ্রাম ও শহরের হাটবাজারে লোকসমাগম কমে গেছে, কমেছে যানবাহন চলাচলও। সদর উপজেলার কলেজ মোড় এলাকার অটোরিকশাচালক আব্বাছ মিয়া বলেন, “আজ শীত খুব বেশি। হাত-পা জমে আসছে। যাত্রী কম, আয়ও কমে গেছে।”
বাজারের ভ্রাম্যমাণ সবজি বিক্রেতা মজিবুর রহমান বলেন, সকালে কুয়াশা ও ঠান্ডার কারণে গ্রাম থেকে পণ্য আনতে দেরি হয়েছে, ফলে বেচাকেনা কম।এদিকে শীত বাড়ায় উপজেলার বিভিন্ন শীতবস্ত্রের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ডিসেম্বর ও জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কম থাকে। কয়েকদিন পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।