পর্নো সাইটে ছড়িয়ে পড়া দৃশ্য নিয়ে ক্ষুব্ধ ত্রিধা চৌধুরী
বাংলা সিনেমা দিয়ে পথচলা শুরু করা অভিনেত্রী ত্রিধা চৌধুরী সময়ের সঙ্গে হিন্দি ওয়েব সিরিজেও নিজেকে আলাদা করে তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে আলোচিত সিরিজ ‘আশ্রম’-এ তাঁর অভিনয় দর্শকের নজর কেড়েছে। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ার, অন্তরঙ্গ দৃশ্য এবং সামাজিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলেন তিনি।
ত্রিধা বলেন, একজন অভিনেত্রীর জন্য চ্যালেঞ্জের জায়গা আরও বেড়ে যায় যখন চরিত্রের প্রয়োজনে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করতে হয়। এ ধরনের দৃশ্য নিয়ে অহেতুক বিতর্ক এবং নেতিবাচক মন্তব্য প্রায় নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি জানান, “কোনো চরিত্রে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয়ের পেছনে অনেক মানসিক প্রস্তুতি থাকে। ‘আশ্রম’ সিরিজে আমার চরিত্রটি ছিল একজন যৌনকর্মীর, তাই গল্পের প্রয়োজনে এমন দৃশ্য ছিল। কিন্তু শুটিংয়ের সময় এগুলো উপভোগ্য কিছু নয়, এটা শুধু দায়িত্বের অংশ। এ ধরনের দৃশ্য আরও শৈল্পিকভাবে উপস্থাপন করা যেত।”
পর্নো সাইটে এসব দৃশ্য ছড়িয়ে পড়া প্রসঙ্গে ত্রিধা বেশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, নির্মাতা ও প্রযোজনা সংস্থার দায়িত্ব ছিল এসব সংবেদনশীল দৃশ্য যেন অপব্যবহার না হয়। “যদি কোথাও ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে দ্রুত সেটা সরাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত,” বলেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ত্রিধা। তাঁর মতে, সিনেমা ও সিরিজের অন্তরঙ্গ দৃশ্যগুলো এখন রিলস ও শর্ট ভিডিও আকারেও ছড়িয়ে পড়ছে, যা একজন অভিনেত্রীর কাজকে আরও কঠিন করে তুলছে।
ত্রিধা চৌধুরী বলেন, “অনেকে বুঝতে চান না যে আমরা পর্দায় শুধু অভিনয় করি। বারবার একই ধরনের দৃশ্যে দেখলে মানুষ অভিনেত্রীদের বাস্তব জীবনেও সেই চরিত্রের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলে। এটা খুবই অস্বস্তিকর।”
‘আশ্রম’ সিরিজের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি জানান, শুরুতে তিনি খুব নার্ভাস ছিলেন। তবে সহ-অভিনেতা ববি দেওল এবং পরিচালক প্রকাশ ঝা–র সহযোগিতায় কাজটি সহজ হয়ে যায়। তাঁর মতে, সংবেদনশীল দৃশ্যে পুরো টিমের সহযোগিতাই একজন শিল্পীকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।