—ছবি মুক্ত প্রভাত
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ইনভেঞ্জার শিক্ষকদের বদলির বিষয় নিয়ে সভা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মূলত শিক্ষকের বদলি সফটওয়্যার তৈরির বিষয়ে টেলিটকের সঙ্গে এই সভা হয়েছে। বুদ্ধি কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার পর শিক্ষকদের মনে আশা সঞ্চার ঘটিয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানিয়েছে, সফটওয়্যার সম্পূর্ণরূপে তৈরি না হওয়ার কারণে এ বছর বদলি কার্যক্রম চালু করার সম্ভাবনা খুবই কম রয়েছে। সফটওয়্যার কি চালু করার পর যাচাই এবং ফ্রায়েলে কাজ সম্পন্ন করতে সময় লেগে যেতে পারে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত। সেক্ষেত্রে আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে বেসরকারি শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম চালু করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করছে মাউশি। তবে এ মাসে যদি সফটওয়্যার সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয় তাহলে বদলি কার্যক্রম চালু হতে পারে।
কর্মকর্তা জানিয়েছেন, 'বদলি কার্যক্রম চালু করার জন্য আমরা দ্রুত চেষ্টা করছি। এখনো বদলি সংক্রান্ত কিছু জটিলতা রয়েছে। বুদ্ধি সংক্রান্ত সব জটিলতা নিরসন করে বিপুল সংখ্যক শিক্ষককে বদলি করবেন তারা। তবে এই কঠিন কাজটি করতে কিছুদিন সময় লেগে যেতে পারে।'
বদলির বিষয়ে শিক্ষকদের কিছুদিন ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে এই কর্মকর্তা আরো বলেন, ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে বদলি চালুর চেষ্টা করছি আমরা। তবে একটি কঠিন একটি কাজ। কোন কারনে ডিসেম্বরে বদলি চালু করার না গেলে আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে শিক্ষকরা বদলি হতে পারবেন।
সূত্র বলছে, এমপি ভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মরত শিক্ষকদের বদলির কোন সুযোগ নেই। শুধুমাত্র এনটিআরসির কর্তৃক প্রকাশিত গণ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সুযোগ পেতেন এসব শিক্ষকেরা। ইলেকট্রন শিক্ষকদের গণ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সুযোগ বন্ধ করে দেয় সরকার। এ কারণে বিপাকে পরের নিজ বাড়ি থেকে শত শত কিলোমিটার দূরে চাকরি করা অনেক শিক্ষক। একই সঙ্গে নারী শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও ভোগান্তি আরো বেড়ে যায়।
মূলত ইনডেক্স ধারী শিক্ষকদের গণ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সুযোগ বন্ধ হওয়ার পর বদলি চালুর দাবিতে আন্দোলনে শিক্ষকদের একাধিক সংগঠন। শিক্ষকদের দীর্ঘ আন্দোলনের পর সাবেক শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ বদলি চালুর উদ্যোগ নেন। প্রাথমিকভাবে এনটিআরসি এর সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষকদের নানা শর্তে বদলির চালুর জন্য একটি নীতিমালা ও তৈরি করে সরকার।এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারির পর মানসিক এক পরিচালকের মাধ্যমে একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। সফটওয়্যার এর কাজ নভেম্বরে শেষ হলে ডিসেম্বর থেকে বদলি কার্যক্রম শুরু হতে পারে।