—ছবি সংগৃহিত
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগে আর পৃথক করে কোনো গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করার প্রস্তাব করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ। ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির পর আর কোনো গণবিজ্ঞপ্তি দিতে চায় না প্রতিষ্ঠানটি। শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তিতেই হবে শিক্ষক নিয়োগ।
রোববার এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ তথ্যটি নিশ্চত করেছে।
এনটিআরসিএর অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামীতে শিক্ষক পদে সুপারিশ ও বাছাই কার্যক্রমে পরিবর্তনের অংশ হিসেবে আলাদা তিন চারটা বিজ্ঞপ্তি না দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই প্রস্তাব মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে তা বাস্তবায়ন হবে। ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির পর এটা বাস্তবায়ন করা হতে পারে।
এদিকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি আগামীকাল ১৬ জুন প্রকাশ করা হবে। তবে কাল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও ২২ জুন দুপুর ১২টা থেকে আবেদন ও ফি জমা দেওয়া যাবে।
১০ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত এই আবেদন ও ফি জমা দেওয়া যাবে। এবার গণবিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর বয়স, নারী কোটা, সনদের বয়সসহ বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন।
চূড়ান্ত ফল প্রকাশের তারিখে প্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর বা তার কম হতে হবে। আর সনদের মেয়াদ ধরা হবে নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশের তারিখ থেকে ৩ বছর। সে অনুযায়ী ৪ জুন থেকে প্রার্থীর বয়স ও সনদের মেয়াদ ধরা হচ্ছে।
এছাড়া বিষয় সংশ্লিষ্ট পদ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রার্থীদের আবেদন করতে হবে। আবেদনকারী মিথ্যা তথ্য দেওয়ার মাধ্যমে আবেদন করলে এবং সে অনুযায়ী নিয়োগ নিয়োগপ্রাপ্ত হলে এই সুপারিশ বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ১৫ মের চিঠির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে কোনো মহিলা কোটা থাকবে না।
নিয়োগ সুপারিশে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যদি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুপারিশকৃত প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দিতে ব্যর্থ হয়, তবে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী ওই সব প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও স্থগিত - বাতিলকরণ এবং ম্যানেজিং কমিটি-গভর্নিং বডি বাতিলকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।