—ছবি মুক্ত প্রভাত
যমুনা রেল সেতুর ওপর দিয়ে মাত্র তিন মিটিনে যমুনা নদী পার হবে ট্রেন। আগের সড়ক সেতু দিয়ে আর ট্রেন চলবে না। সেসময় সেতু পার হতে ২০ থেকে ২৫ মিনিট। অবশ্য দ্রুত নদী পাড়ি দিতে উত্তরের রেলযাত্রীদের বাড়তি ভাড়া গুনতে হবে। এই সেতু ব্যবহার করে চলা ট্রেনের আসনভেদে ভাড়া বাড়বে ৪৫ থেকে ১৬০ টাকা পর্যন্ত। ১০ মার্চ থেকে বাড়তি ভাড়া কার্যকর হবে।
রেলওয়ে সূত্র বলছে, যমুনা রেলসেতুটির দৈর্ঘ্য ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার। কিন্তু সেতুটিকে ১২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ধরা হয়েছে। অর্থাৎ সেতুটির প্রতি কিলোমিটার দুরত্বকে ২৫ কিলোমিটারে বাড়িয়ে ভাড়া নির্ধারণ করা হযেছে।
অবশ্য যমুনা সড়কসেতু দিয়ে ট্রেন চলার সময়ও প্রতি কিলোমিটারকে ১৭ কিলোমিটার ধরে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছিল। নতুন সেতুতে প্রতি কিলোমিটারে আট কিলোমিটার বেড়েছে।
বড় সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচলের জন্য টোল আদায় করা হয়। রেলওয়ে সেতুর টোল যাত্রীদের টিকিটে সরাসরি যুক্ত করে দেয়। আর এই বাড়তি অর্থ যুক্ত করারা নির্দিষ্ট একটি পদ্ধতি অনুসরণ করে রেলওয়ে। একে রেলওয়ে ‘পয়েন্ট চার্জের’ জন্য বাড়তি দূরত্ব বলছে, যা ব্রিটিশ আমল থেকে চলে আসছে।