—ছবি মুক্ত প্রভাত
সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জি এম মাছুদুল আলমের নেতৃত্বে বসত ঘর ভাংচুরের গুরতর অভিযোগ উঠেছে।
রোববার ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামে এঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শেখ আব্দুল বারির স্ত্রী নুরজাহার বেগম শ্যামনগর থানায় ৪৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে জানাযায়, ইউপি চেয়ারম্যান মাছুদুল আলম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হওয়ায় তার নেতৃত্বে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা হতে খায়রুল ইসলাম মিলন, অহিদুজ্জামান অপু, আয়ুব আলী ও মোঃ সবুজ সহ ৪৩জন ব্যক্তি বেআইনীভাবে ভুক্তভোগী নুরজাহান বেগমের বসতঘর ভাংচুর করে।
এক পর্যায়ে সন্ত্রাসী চক্রটি গত ৮ ফেব্রুয়ারী বিকাল ৫টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান মাছুদুল আলমের নির্দেশে দোকানঘর নির্মাণ করার জন্য ১লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং ৩দিনের ভিতরে চাঁদা পরিশোধ করার হুমকি দেয়।
চাঁদা দিতে অস্বীকার করার কারনে সন্ত্রাসীরা গতকাল রোববার সাড়ে ৯টার দিকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আকষ্মিক ভাবে ভুক্তভোগীর বসত বাড়ির উপর প্রবেশ করে এবং তার স্বামীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। প্রতিবাদ করিলে আসামীরা বেধড়ক পিটিয়ে গুরত্বর জখম করে।
এসময় সন্ত্রাসীরা ঘরের গ্রিল ও গ্লাস, আসবাবপত্র ভাংচুর করে এবং ঘরের ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজে ব্যবহৃত প্রায় ১৫০ কেজি কাটা রড নিয়ে যায়। পড়শিরা দ্রুত উদ্ধার করে গুরত্বর আহত অবস্থায় বাদীর ছোট দেবরের স্ত্রী রোকসানা ও বাদী নুরজাহানকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে উভয়ে শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
তাছাড়া সন্ত্রাসীরা ৯নং সোরা গ্রামের মান্দার মোল্যার পুত্র আফসুর মোল্যার বসত ঘর ও দোকান ঘর ভাংচুর করার অভিযোগ উঠেছে। চেয়ারম্যানের এহেন কর্মকান্ডে এলাকার নিরীহ মানুষ আতঙ্গগ্রস্থ হয়ে পড়েছে।
আরও জানাযায় যে, দেশের প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ওই ইউনিয়নে ৯৪টি বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট ও মৎস্য ঘের দখল করেছে এবং তাহার নির্দেশে হাফ ডজন মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে কয়েক’শ মানুষ গ্রামছাড়া হয়েছে।
শ্যামনগর থানার ওসি মোঃ হুমায়ুন কবির মোল্যা বলেন, বিষয়টি মামলার প্রক্রিয়াধীন।