—ছবি মুক্ত প্রভাত
সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনির বেড়িবাঁধের কাজ পরিদর্শন করেছেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব ড.আব্দুর রশিদ। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) এ কাজ পরির্দশনে আসেন তিনি।
জেলার উপকূলবর্তী উপজেলা শ্যামনগরের কলবাড়ী আকাশলীনা ইকোপার্ক পরিদর্শন শেষে স্প্রীড বোর্ডযোগে সুন্দরবন সংলগ্ন বেড়ীবাঁধের ব্লক তৈরী, খাল খনন, রাস্তা নির্মাণ, কালভাট নির্মাণসহ মেঘা প্রকল্পের বিভিন্ন কাজ পরিদর্শনে যান।
তবে এ সময় স্থানীয় মানুষেরা কাজের মান ও কাজের গতিহীনতার অভিযোগ তোলেন। তারা বলেন, ইতিমধ্যে ঠিকাদাররা কাজের সময় বাড়িয়েছে কয়েক দফা। এক হাজার চল্লিশ কোটি টাকা ব্যায়ে উপকুলী এলাকার গাবুরার এ টেকসই বেড়ীবাঁধ নির্মাণের মেঘা প্রকল্পের এ কাজের তদারকিরও ব্যাপক অভাব রয়েছে। মেঘা প্রকল্পের কাজের মাত্র ১৫-২০% কাজ হয়েছে। দ্রুত কাজ শেষ করার দাবী করেন উপকূলের মানুষ।
এ সময় উপস্থিত খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. হেলাল মাহমুদ শরীফ, ডিআইজি রেজাউল হক পিপিএম, পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী শাখাওয়াত হোসেন, এসই সৈয়দ সাইদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ, এসপি মনিরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. রনি খাতুন, সহকারী কমিশনার ভুমি আব্দুল্লাহ আল রিফাত, শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির মোল্যা প্রমুখ।
এছাড়া বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের “সাতক্ষীরা জেলার পোল্ডার-১, ২, ৬-৮ এবং (এক্সটেনশান) এর নিস্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন” শীর্ষক প্রকল্পের সমাপ্তকৃত ও চলমান কাজ পরিদর্শন করেন মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব ড. শেখ আব্দুর রশিদ। শুক্রবার সকালে আশাশুনির বেতনা নদী খনন কাজ পরির্দশন করেন।
সেখানে সরেজমিন কাজ দেখার পাশাপাশি প্রকল্পের কাজের খোঁজ খবর নেন। এসময় পাউবোর চীপ ইঞ্জিনিয়ার বিদ্যুৎ কুমার সাহা প্রকল্পের আওতায় সমাপ্তকৃত ও চলমান কাজের তথ্য সম্পর্কে অবহিত করেন।
উল্লেখ্য যে, ২০২০ সালে একনেকে প্রকল্প পাশ হয় এবং ২০২১ সালে কাজ শুরু হয়। এবছর জুনের মধ্যে প্রকল্প শেষ হবে। এপ্রিল মাসের মধ্যে বেতনা নদীর খনন কাজ শেষ হবে।
এসময় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ, ডিআইজি রেজাউল হক পিপিএম, পাউবোর এক্সেন শাখাওয়াত হোসেন, এসই সৈয়দ সাইদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ, এসপি মনিরুল ইসলাম, ইউএনও কৃষ্ণা রায়, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, ওসি নোমান হোসেন, কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান ওমর সাকি পলাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।