-ছবি মুক্ত প্রভাত
এমপিভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ভাতার টাকা নির্বিঘ্নে প্রদান করতে সরকার ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) চালু করেছে। অত্যাধুনিক এই সিস্টেমের মাধ্যমে গত ১ জানুয়ারি থেকে প্রথম ধাপ কিছু শিক্ষক বেতন ভাতা পেয়েছেন। তবে অপেক্ষায় রয়েছেন বেশিরভাগ শিক্ষক।
আরো পড়ুন———
> জাল সনদধারী শিক্ষকদের নিয়ে যে সিদ্ধান্ত হলো
> জাল সনদধারী শিক্ষকদের বেতনের টাকা ফেরতের নির্দেশ
> যেসব শর্তে বদলি হতে পারবেন শিক্ষকরা, সবশেষ নীতিমালায় যা আছে
ইএফটিতে বেতন পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা শিক্ষকদের সুখবর দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্ত (মাউশি)।
মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে এক লাখ শিক্ষক আগামী সপ্তাহে বেতন পাওয়ার জন্য খুদে বার্তা (এসএমএস) পাবেন। খুদেবার্তা পাওয়ার পর শিক্ষকরা ব্যাংক থেকে বেতনের সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন।
মুক্ত প্রভাতকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-২) এস এম জিয়াউল হায়দার হিনরী।
তিনি বলেন যেসব শিক্ষক প্রথম ধাপে ইএফটিতে বেতন ভাতা পাননি, এই সপ্তাহে তারা বেতনের মেসেজ পাবেন। বিষয়টি নিয়ে এমআইএস সেল কাজ করছে। শিক্ষকদের বেতন সংক্রান্ত প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে অর্থ সার্কুলার অর্থ মন্ত্রণালয়। এ কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাষ্ট্রয়াত্ড ৮টি ব্যাংকের মাধ্যমে 'অ্যানালগ' পদ্ধতিতে স্বাগত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা। ফলে বেতন ভাতার অর্থ হাত পেতে শিক্ষকদের ব্যাপক ভোগান্তি হতে হতো। বিশেষ করে কয়েকটি পর্যায়ে অনুমোদন হওয়ার পরে এই প্রক্রিয়া শেষ হতো। এ কারণে অনেক সময় শিক্ষকরা বেতন বেতন পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে। ঈদ পার্বণে শিক্ষকদের জন্য এই সমস্যা আর প্রকট হতো।
সীমাহীন এসব ভোগান্তি নিরসনের জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মত মাসের শুরুতে ইএফটির মাধ্যমে বেতন ভাতা দেয়ার দাবি জানান বেসরকারি শিক্ষকরা। সরকারও বেসরকারি এসব শিক্ষকদের দাবি মেনে নিয়ে বেতন ভাতার জন্য ইএফটি সিস্টেম চালু করে।
মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, বেসরকারি স্কুল কলেজের ৩ লাখ ৮০ হাজার শিক্ষক কর্মচারীর মধ্যে ৮৯ হাজার শিক্ষক কর্মচারীর তথ্য যাচাই করেছে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। তবে ২৭ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। অবশিষ্ট শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য পেলেও তাদের ত্রুটি থাকায় সেগুলো সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে।