—ছবি মুক্ত প্রভাত
ছাত্র-জনতার গন অভ্যুথানের পর ভারত সংখ্যালুগুর উপর নির্যাতনের কথা বলে একটা বিশৃংখলা সৃষ্টি করতে চেয়েছে। আমরা তা করতে দেইনি। আমরা হিন্দু সম্প্রদায়কে নিরাপত্তা দিয়েছি। যা আনন্দ বাজার পত্রিকা ছবিসহ ছাপিয়েছে। ৫ আগষ্টের ছাত্র-জনতার অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনে কোন দল নিজেদের ব্যানার নিয়ে অংশগ্রহণ করেনি। শুধু মাত্র ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছাত্রদের সাথে রাজপথে নিজেদের ব্যানার নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে।
সোমবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে হাতিয়া উপজেলা পরিষদ শহীদ মিনার চত্ত¡রে এক গণ সমাবেশে এসব কথা বলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতিয়া উপজেলা শাখার আয়োজনে এই গণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, জেলা দক্ষিন শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এইচ এম কাউছার আহামাদ, দক্ষিন শাখার যুব আন্দোলন সভাপতি মো: ইকবাল হোসেন, হাফেজ মাওলানা নিজাম উদ্দিন, মুহাম্মাদ আবুজর গিফারী, হাফেজ বেলাল হোসাইন ও মাওলানা নূরুল ইসলাম শরীফ প্রমূখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম আরো বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার এদেশ থেকে এগার লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে। যার বোঝা আমাদেরকে বহন করতে হচ্ছে। আমাদেরকে বাংলাদেশের বড় বড় সব কটি দল ব্যবহার করে ক্ষমতায় এসেছে। এসেই তারা ইসলামকে ক্ষতিগ্রস্থ করেন। আমরা আর পরগাছা হয়ে থাকতে চাই না। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এখন সংসদ নির্বাচনে তিনশত আসনে প্রার্থী দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে ইসলামী আন্দোলনের নেতা কর্মীরা সমাবেশ স্থলে আসতে থাকে। অনেকে পায়ে হেটে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সভাস্থলে উপস্থিত হন। তবে দূর-দূরান্তের অধিকাংশ নেতাকর্মীরা আসেন গাড়ী যোগে। সমাবেশ স্থলে বিশাল প্যান্ডেল তৈরি করা হয়। তৈরি করা হয় সুসজ্জতিত মঞ্চ। ছাত্র জনতার গণ অভ্যুথানে সংগঠিত গণ হত্যার বিচার, দূর্ণীতিবাজদের বিচার, অবৈধ সম্পদ বায়েজাপ্ত, সংখ্যানুপাতিক পদ্বতিতে নির্বাচনের আয়োজনের দাবিতে দেশ ব্যাপি এই গণ সমাবেশ করছে দলটি। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার হাতিয়াতে এই গণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।