Image

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নাজমুল হক তৌফিক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে প্রশাসনের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক ২০২৩ অর্জন করায় টেকনো ড্রাগস্ লিমিটেডের শুভেচ্ছা প্রদান ।

রোববার বেলা সাড়ে ১১ টায় টেকনো ড্রাগস্ লিমিটেডের পক্ষ থেকে উত্তরবঙ্গের যোন প্রধান মোঃ ইমরান হোসেন হিরো বদলগাছী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসে ডাঃ নাজমুল হক তৌফিকে ফুল দিয়ে  শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁর ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন।

জানাযায়, গত ৩১ শে জুলাই ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্যাটাগরিতে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিসরুপ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডাঃ নাজমুল হক এর হতে জনপ্রশাসনের সর্বোচ্চ এই রাষ্ট্রীয় পদক তুলে দেন।

বদলগাছী পদক রাষ্ট্র
সাড়া ফেলেছে নারী সহায়তা কেন্দ্র

শুনানি করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।-ছবি মুক্ত প্রভাত

Image
আছমা বেগমকে (২০) অন্তসত্তা অবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন স্বামী। সেই থেকে বাপের বাড়িতে থাকেন আছমা। স্বামী ঘর ছাড়া করায়, প্রতিবেশিদের ছোট-বড় কথা গিলতে হতো। নিরুপায় হয়ে নারী সহায়তা কেন্দ্রে অভিযোগ দিয়ে ছিলেন তিনি। অভিযোগের দুই সপ্তাহের মধ্যে আবারো জুড়েযায় তার সংসার। নারী সহায়তা কেন্দ্রের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্রাবণী রায় তাদের সংসারজুড়ে দেওয়ার কারিগর। আছমা বেগম গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজিপুর ইউনিয়নের খুবজিপুর পশ্চিম পাড়া গ্রামের রাসেল প্রামাণিকের স্ত্রী। অন্তসত্তা আছমা বেগম জানালেন, ‘পারিবারিক কলহকে কেন্দ্র করে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তাদের সংসার ভেঙ্গে যায়। নারী সহায়তা কেন্দ্রে অভিযোগ দেওয়ার দুই সপ্তাহে আবারো ভাঙ্গা সংসার জোড়া লেগেছে। আমরা এখন পরিবার পরিজন মিলে নতুন সন্তানের অপেক্ষায় আছি।’ ‘নারী সহায়তা কেন্দ্রে’র মাধ্যমে শুধুযে আছমা বেগমের সংসারজুড়ে দেওয়া হয়েছে তা নয়। গত ৫ মাসে তার মতো সংসার ফিরে পেয়েছেনÑ আয়েশা বেগম, নার্গিস আক্তার, সাথী খাতুন, হাসি বেগমরা। ভাঙ্গা সংসার জোড়া লাগানোর পাশাপশি একই সময়ে বিভিন্ন ধরণের ৬৫টি অভিযোগ নিস্পত্তি করেছেন এই নির্বাহী কর্মকর্তা। গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ‘নারী সহায়তা কেন্দ্রে’র দায়িত্বেরত বেলি খাতুন জানান, ২০১৯ সালের ২০ নভেম্বর ‘নারী সহায়তা কেন্দ্রে’র উদ্বোধন করেন তখনকার জেলা প্রশাসক শাহরিয়াজ। তারপর থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ২শ নারী এখান থেকে বিভিন্ন ধরণের সহায়তা পেয়েছেন। তার মধ্যে গত ৫ মাসেই ৬৬জন নারীর অভিযোগ নিস্পত্তি করা হয়েছে। ‘নারী সহায়তা কেন্দ্র’ সূত্রে জানাগেছে, স্বামীর কাছ থেকে তালাক প্রাপ্ত হয়ে নার্গিস বেগম ‘নারী সহায়তা কেন্দ্রে’র সরনাপন্ন হয়েছিলেন গত বছরের ২২ নভেম্বর। ‘নারী সহায়তা কেন্দ্রে’র মাধ্যমে দুই সপ্তাহের মধ্যে তার সংসারও জোড়া লেগেছে। কাবিন নামায় দেন মোহর কম থাকায় আয়েশা বেগমকে তালাক দিয়েছিলেন স্বামী। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনিও নারী সহায়তা কেন্দ্রে অভিযোগ দিয়েছিলেন। নারী সহায়তা কেন্দ্রের বিচার মেনে স্বামী উজ্জল হোসেন তাকে আবারো সংসারে ফিরিয়ে নিয়েছেন। আয়েশা বেগমের স্বামী উজ্জল জানালেন তার ভুলের কথা, ‘সংসারে ৩ বছর বয়সি এক পুত্র সন্তান থাকা সত্তেও আবেগের বসে স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলাম। নারী সহায়তা কেন্দ্রে এসে সেই ভুল ভেঙ্গেছে। ইউএনও স্যারের পরামর্শ মেনে স্ত্রীকে নিয়ে এখন সুখের সংসার করছি।’ এদিকে বৃদ্ধা জাহেদা বেগমের (৬০) জমা-জমি লিখে নিয়ে দূরে ঠেলে দেন সন্তানরা। নারী সহায়তা কেন্দ্রে বিষয়টির সুরাহা করা হয়। মুচলেকা নিয়ে মায়ের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয় সন্তানদের। অনার্স পড়ুয়া শিরিন শিলার পিতা মারা যাওয়ার পর পৈত্তিক জমি থেকে তাকে বঞ্চিত করা হয়। নারী সহায়তা কেন্দ্রে থেকে শিরিন শিলার অনার্স প্রথম বর্ষের ফরম পূরণের টাকা দেওয়া হয়। এই অভিযোগটি বিচারাধিন। যেভাবে নিস্পত্তি করা হয় অভিযোগ- অভিযোগ দায়েরের পর দুই পক্ষকে নোটিশ দিয়ে নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডাকা হয়। সেখানে দুইপক্ষের শুনানী শেষে রায় দেন নারী সহায়তা কেন্দ্রের বিচারক। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্রাবণী রায় জানালেন, কোনো নারী যাতে স্বামীর সংসারে নির্যাতিত না হন। কোনো মা যাতে সন্তানের কাছে বোঝা না হন। এলক্ষ্যেই নারী সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে নারীদের নানা ধরণের সহায়তা করা হচ্ছে।
গুরাদপুর সহায়তা নারী
ঘরেও নারীর শ্রমের মূল্যায়ণ কম

শ্রম বিক্রি করলেও মেলেনা ন্যায্য মজুরী

শ্রম বিক্রি করলেও মেলেনা ন্যায্য মজুরী

শ্রম বিক্রি করলেও মেলেনা ন্যায্য মজুরী

Image
বেলচা হাতে, মাথায় পাথর বোঝাই ডালী, ফেলা হচ্ছে এক স্তুপ থেকে আরেক স্তুপে। ঘুম থেকে উঠে এভাবেই চলছে দিনের দশ ঘন্টা। সূর্যের প্রখর তাপদাহে শ্রমিকের নিরবিচ্ছিন্ন এ শ্রমের ৮৫ টাকা মুজুরী মুহুর্তেই ম্লান করে দিচ্ছে কোন রকমে বেঁচে থাকার সাধটুকু। যুগ যুগ ধরে মুজুরী বৈষম্যের শিকার শ্রমিকরা এভাবেই প্রতিদিন শুরু করে তাদের কর্মযজ্ঞ। পৃথিবী জুড়ে মে দিবসে শ্রমিকের অধিকার আদায়ে কর্ম বিরতি থাকলেও জীবিকার তাগিদে ছুটে চলা এসব শ্রমিকরা জানে না মে দিবস কি...? মে দিবস উপলক্ষে মিছিল, মানবন্ধন-সমাবেশ আরো কত আয়োজন চলছে শ্রমিকদের। কিন্তু সেসব আয়োজনের কোন গল্পই পৌঁছায় না এসব শ্রমকিদের কানে। ‘১লা মে’ গুরুদাসপুর বাসষ্ট্রান্ডে পাথর বহনের কাজ করতে দেখা গেল এমনি কয়েকজন দিন মুজুর শ্রমিককে। কাছে গিয়ে জানাগেল, গুরুদাসপুরের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আনোয়ার এন্টার প্রাইজ এর প্রকল্পে কাজ করছেন এসব শ্রমিক। শ্রমিকরা জানান, আজ (সোমবার) মে দিবস হলেও তাদের ছুটি নেই। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠনের কাজ দ্রুত শেষ করতেই ছুটির দিনেও তাদের কাজ করতে হচ্ছে। ওই প্রকল্পের এক শ্রমিক বলেন, মে দিবসে তাদের ছুটি থাকার কথা ছিল। কিন্তু উপজেলা শ্রমিক ইউনিয়ন হতে অনুমতি নিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তাদের কাজ করতে বলেছেন। গুরুদাসপুর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জয়েনউদ্দিন মিস্ত্রী বলেন, মে দিবসে সকল শ্রমিকের ছুটি রয়েছে। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধীকারী আনোয়ার হোসেন এ দিন কাজ করার জন্য অনুমতি চাওয়ায় তাকে কাজ করতে বলা হয়েছে। কর্মরত শ্রমিক আরিফা, আকলিমা, রওশন ও মিজানুর রহমান বলেন, এখানে কাজ করছেন ৩জন মহিলা আর ৫জন পুরুষ শ্রমিক। পুরুষ শ্রমিকদের শ্রেণি ভিত্তিকভাবে ২শ টাকা থেকে ৫শ টাকা হলেও নারী শ্রমিকদের মুজুরী ৮৫ টাকা। ষাটর্ধো শ্রমিক আফেজান বেগম বলেন, ছুটি বুঝিনা। পেটের দায়ে কাজ করতে এসেছি। সারাদিন শ্রম দিয়ে মুজুরী পাই ৮৫ টাকা। ওই টাকায় পেটের খোরাক জোগানোই কঠিন। তবুও বেঁচে থাকার জন্য কাজ করতে হচ্ছে। মেসার্স আনোয়ার এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধীকারি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতির অনুমতি নিয়েই শ্রমিকদের কাজ করতে বলা হয়েছে। তাছাড়া শ্রমিকরাও কাজ করতে ইচ্ছুক ছিল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, কোনভাবেই মে দিবসে কাজ করার বিধান নেই। এব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলীকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।
দিন শেষে মেলে স্বল্প মজুরী

দিন শেষে মেলে স্বল্প মজুরী

Image
বেলচা হাতে, মাথায় পাথর বোঝাই ডালী, ফেলা হচ্ছে এক স্তুপ থেকে আরেক স্তুপে। ঘুম থেকে উঠে এভাবেই চলছে দিনের দশ ঘন্টা। সূর্যের প্রখর তাপদাহে শ্রমিকের নিরবিচ্ছিন্ন এ শ্রমের ৮৫ টাকা মুজুরী মুহুর্তেই ম্লান করে দিচ্ছে কোন রকমে বেঁচে থাকার সাধটুকু। যুগ যুগ ধরে মুজুরী বৈষম্যের শিকার শ্রমিকরা এভাবেই প্রতিদিন শুরু করে তাদের কর্মযজ্ঞ। পৃথিবী জুড়ে মে দিবসে শ্রমিকের অধিকার আদায়ে কর্ম বিরতি থাকলেও জীবিকার তাগিদে ছুটে চলা এসব শ্রমিকরা জানে না মে দিবস কি...? মে দিবস উপলক্ষে মিছিল, মানবন্ধন-সমাবেশ আরো কত আয়োজন চলছে শ্রমিকদের। কিন্তু সেসব আয়োজনের কোন গল্পই পৌঁছায় না এসব শ্রমকিদের কানে। ‘১লা মে’ গুরুদাসপুর বাসষ্ট্রান্ডে পাথর বহনের কাজ করতে দেখা গেল এমনি কয়েকজন দিন মুজুর শ্রমিককে। কাছে গিয়ে জানাগেল, গুরুদাসপুরের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আনোয়ার এন্টার প্রাইজ এর প্রকল্পে কাজ করছেন এসব শ্রমিক। শ্রমিকরা জানান, আজ (সোমবার) মে দিবস হলেও তাদের ছুটি নেই। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠনের কাজ দ্রুত শেষ করতেই ছুটির দিনেও তাদের কাজ করতে হচ্ছে। ওই প্রকল্পের এক শ্রমিক বলেন, মে দিবসে তাদের ছুটি থাকার কথা ছিল। কিন্তু উপজেলা শ্রমিক ইউনিয়ন হতে অনুমতি নিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তাদের কাজ করতে বলেছেন। গুরুদাসপুর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জয়েনউদ্দিন মিস্ত্রী বলেন, মে দিবসে সকল শ্রমিকের ছুটি রয়েছে। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধীকারী আনোয়ার হোসেন এ দিন কাজ করার জন্য অনুমতি চাওয়ায় তাকে কাজ করতে বলা হয়েছে। কর্মরত শ্রমিক আরিফা, আকলিমা, রওশন ও মিজানুর রহমান বলেন, এখানে কাজ করছেন ৩জন মহিলা আর ৫জন পুরুষ শ্রমিক। পুরুষ শ্রমিকদের শ্রেণি ভিত্তিকভাবে ২শ টাকা থেকে ৫শ টাকা হলেও নারী শ্রমিকদের মুজুরী ৮৫ টাকা। ষাটর্ধো শ্রমিক আফেজান বেগম বলেন, ছুটি বুঝিনা। পেটের দায়ে কাজ করতে এসেছি। সারাদিন শ্রম দিয়ে মুজুরী পাই ৮৫ টাকা। ওই টাকায় পেটের খোরাক জোগানোই কঠিন। তবুও বেঁচে থাকার জন্য কাজ করতে হচ্ছে। মেসার্স আনোয়ার এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধীকারি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতির অনুমতি নিয়েই শ্রমিকদের কাজ করতে বলা হয়েছে। তাছাড়া শ্রমিকরাও কাজ করতে ইচ্ছুক ছিল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, কোনভাবেই মে দিবসে কাজ করার বিধান নেই। এব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলীকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।
আঠারো আনা শ্রমে দশ আনা মজুরী

আঠারো আনা শ্রমে দশ আনা মজুরী

Image
নারীরা কেবল শ্রমই বিক্রি করেন। কিন্তু পাননা ন্যায্য মজুরী। উদয়স্ত আঠারো আনা শ্রম দিয়ে পান দশ আনা মজুরী। যা দিয়ে বর্তমান বাজারে সংসার চালানোই কঠিন।
নারীর মজুরীর ক্ষেত্রে কেন এতো স্বল্পতা

নারীর মজুরীর ক্ষেত্রে কেন এতো স্বল্পতা

Image
নারীরা কেবল শ্রমই বিক্রি করেন। কিন্তু পাননা ন্যায্য মজুরী। উদয়স্ত আঠারো আনা শ্রম দিয়ে পান দশ আনা মজুরী। যা দিয়ে বর্তমান বাজারে সংসার চালানোই কঠিন।
পাওয়া না পাওয়ার হিসাব কেবল মে দিবসেই সীমাদ্ধ

পাওয়া না পাওয়ার হিসাব কেবল মে দিবসেই সীমাদ্ধ

Image
পাওয়া না পাওয়ার হিসাব কেবল মে দিবসেই সীমাদ্ধ। নারীর মজুরীর ক্ষেত্রে কেন এতো স্বল্পতা। নারীরা কেবল শ্রমই বিক্রি করেন। কিন্তু পাননা ন্যায্য মজুরী। উদয়স্ত আঠারো আনা শ্রম দিয়ে পান দশ আনা মজুরী। যা দিয়ে বর্তমান বাজারে সংসার চালানোই কঠিন।
Image

ভ্যানচালক মিস্টার আলি নিজ অর্থায়নে ভাঙ্গা রাস্তা সংস্কারের মাধ্যমে জন সেবা করেন শিরোণামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় শিবগঞ্জ পৌরসভার পক্ষ থেকে তাকে ক্রেস্ট প্রদান ও আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শিবগঞ্জ পৌরসভা মিলনায়তনে  তার হাতে ক্রেস্ট ও আর্থিক সহায়তা তুলে দেন শিবগঞ্জ পৌরমেয়র সৈয়দ মনিরুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন, সচিব মোবারক হোসেন, সাংবাদিক নাহিউজ্জামান, পৌরসভার কর্মচারী হিমেল,জিন্নাত আলি, ভুলু মেম্বার সহ পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ।

এ সময় পৌরমেয়র সৈয়দ মনিরুল ইসলাম বলেন, যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখো তাই,পাইলে পাইতে পারো অমূল্য রতন।

প্রবাদ বাক্যটির বাস্তব রূপ দান করেছেন উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের অজোপাড়া পোড়াডিহি গ্রামের মৃত সাজেমান আলির ছেলে মিস্টার আলি।

যিনি একজন গরীব ভ্যান চালক হয়েও নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে ভাঙ্গা রাস্তা মেরামত করে জনসেবা করেছেন দীর্ঘ  ১২বছর। তিনি আরো বলেন আমরা তার ভাল কাজের জন্য তার কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই। তিনি বলেন আমরা মিস্টার আলির সাথে আছি এবং থাকবো ইনশাল্লাহ।

এ সময় পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য যে মিস্টার আলি দীর্ঘ  ১২ ধরে নিজে ভ্যান চালানোর অর্থ সংসারে খরচ না করে মনাকষা, বিনোদপুর, শ্যামপুর ও দূর্লভপুর সহ বিভিন্ন  ইউনিয়নের ভাঙ্গা রাস্তা মেরামতে করে আসছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সড়ক ভ্যান
Image

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নাজমুল হক তৌফিক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে প্রশাসনের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক ২০২৩ অর্জন করায় টেকনো ড্রাগস্ লিমিটেডের শুভেচ্ছা প্রদান ।

রোববার বেলা সাড়ে ১১ টায় টেকনো ড্রাগস্ লিমিটেডের পক্ষ থেকে উত্তরবঙ্গের যোন প্রধান মোঃ ইমরান হোসেন হিরো বদলগাছী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসে ডাঃ নাজমুল হক তৌফিকে ফুল দিয়ে  শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁর ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন।

জানাযায়, গত ৩১ শে জুলাই ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্যাটাগরিতে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিসরুপ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডাঃ নাজমুল হক এর হতে জনপ্রশাসনের সর্বোচ্চ এই রাষ্ট্রীয় পদক তুলে দেন।

বদলগাছী পদক রাষ্ট্র
Image

নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়া প্রতিনিধির যৌথ আয়োজনে গণমানুষের দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১ টার দিকে বাগাতিপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবে কেক কাটা ও আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রোজ’র সভাপতিত্বে ও সাধরাণ সম্পাদক খাদেমুল ইসলাম’র সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, নাটোর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান।

লালপুর প্রতিনিধি ইউসুফ আলী ও বাগাতিপাড়া প্রতিনিধি হাসান আলী সোহেল’র স্বাগত বক্তব্যে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাপ্তাহিক পদ্মাপ্রবাহ পত্রিকার সম্পাদক প্রভাষক মোজাম্মেল হক এবং বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা আরশাদ আলী।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রেসক্লাব'র সিনিয়র সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম তপু, সদস্য মুক্তার হোসেন, কামরুল ইসলাম, নাসিমুল নাহিদ, হাসিবুর রহমান ও এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি ওমর ফারুক খানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের মাঝে “সম্মাননা স্মারক” ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়।

Image

লঞ্চের রশি ছিঁরে পাঁচ যাত্রী নিহত হয়েছেন।  ঢাকার সদরঘাটে বাঁধা একটি লঞ্চের রশি ছিঁড়ে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাঁদের মধ্যে একটি শিশু ও এক নারী রয়েছেন।

.আরো পড়ুন


জাতীয় চিরিয়াখানায় হাতির আক্রমণে মাহুতের ছেলের মৃত্যু


 

ঈদের দিন আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটেছে।

নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) আশিক সাঈদ প্রথম আলোকে পাঁচজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে দুর্ঘটনা সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিস জানায়, সদরঘাটের ১১ নম্বর পন্টুনে এমভি তাশরিফ-৪ ও এমভি পূবালী-১ নামের দুটি লঞ্চ রশি দিয়ে বাঁধা ছিল।

বেলা তিনটার কিছুক্ষণ আগে এ দুটি লঞ্চের মাঝখান দিয়ে ফারহান নামের আরেকটি লঞ্চ পন্টুনে ঢোকানোর সময় এমভি তাশরিফ-৪ লঞ্চের রশি ছিঁড়ে গেলে লঞ্চে ওঠার সময় পাঁচজন যাত্রী গুরুতর আহত হন।

গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁদের স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখানে চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন বলে পুলিশ সুপার আশিক সাঈদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ঘটনাটি তদন্ত করে এই মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে।