—ছবি সংগৃহিত
উত্তাল জুলাইয়ের স্মৃতি আর গণঅভ্যুত্থান দিবসের আবহে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যেন শান্তি বিঘ্নিত করতে না পারে, সে লক্ষ্যে গোপালগঞ্জে গড়ে তোলা হয়েছে নিরাপত্তার শক্ত বেষ্টনী। বুধবার ভোর থেকেই জেলার প্রবেশপথ থেকে শুরু করে অলিগলিতে বাড়ানো হয়েছে পুলিশ ও বিজিবির টহল। বিশেষ ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক পেক্ষাপট বিবেচনায় যেকোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রশাসন নিয়েছে বাড়তি সতর্কতা।
জেলাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশি পাহারার পাশাপাশি মাঠে নেমেছে ৫ প্লাটুন বিজিবি। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কেবল আজকের দিনটিই নয়, আগস্টের স্পর্শকাতর সময় বিবেচনা করে আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বিজিবির এই বাড়তি উপস্থিতি বহাল থাকবে।
"সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা এবং গোপালগঞ্জের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঘোলাটে করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করা হবে।"
— পুলিশ সুপার, গোপালগঞ্জ
যেসব পদক্ষেপে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পড়েছে জেলা:
মোড়ে মোড়ে তল্লাশি: গোপালগঞ্জ শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর এবং জনসমাগমপূর্ণ স্থানে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সাঁড়াশি টহল ও গোয়েন্দা চোখ: পোশাকি পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সীমান্ত ও প্রবেশপথে কড়াকড়ি: জেলায় প্রবেশের প্রধান সড়কগুলোতে সার্বক্ষণিক চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন যান ও ব্যক্তিবর্গকে নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান জানান, গণঅভ্যুত্থান দিবসের প্রতিটি কর্মসূচি যেন সাধারণ মানুষ নিরাপদে ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য জেলা প্রশাসন পূর্ণ প্রস্তুত। বর্তমানে গোপালগঞ্জের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।