—ছবি মুক্ত প্রভাত
নাটোরের গুরুদাসপুরে ''বিলচলন শহীদ শামসুজ্জোহা সরকারি কলেজে'র ২০০১ সালের এইচএসসি ব্যাচের (‘সংশপ্তক জোহা-২০০১’) শিক্ষার্থীদের সাথে কলেজ শিক্ষকদের এক সৌজন্য চায়ের আড্ডা ও মতবিনিমিয় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক একে আজাদ, সাবেক উপাধ্যক্ষ আব্দুস সালাম, অধ্যাপক আবুল কালাম, অধ্যাপক আল মামুন প্রমুখ।
এছাড়াও রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ একরামুল হক খোকন, শহীদ শামসুজ্জোহা কলেজ মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক তীবরিজ খান, মসজিদের পেশ ইমাম সাইফুল ইসলামসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
‘সংশপ্তক জোহা-২০০১’ ব্যাচের উপস্থিত ছিলেন সজল মাহমুদ, ফজলুল হক, ইস্রাফিল শেখ, নাজমুল হাসান রাসেল, ফাত্তাহ তানভীর রানা প্রমুখ। চায়ের আড্ডায় উঠে আসে পুরোনো স্মৃতি ও বিভিন্ন কথকতা।
এ সময়ে ‘সংশপ্তক জোহা-২০০১’ ব্যাচের পক্ষ থেকে শহীদ শামসুজ্জোহা কলেজ এলামনাই এসোসিয়েশন গঠনের বিষয়ে দাবি উত্থাপন করা হয়। শহীদ শামসুজ্জোহা কলেজ মসজিদে ‘সংশপ্তক জোহা-২০০১’ ব্যাচের পক্ষ থেকে দুই টনের একটি হায়ার এসি হস্তান্তর করা হয়। কলেজের পক্ষে এসি গ্রহণ করেন শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক একে আজাদ।
১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা ছাত্রদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে শহীদ হন। তাঁর স্মৃতির স্মরণে তৎকালীন নাটোরের গুরুদাসপুর থানা সদরে অবস্থিত কলেজটির নামকরণ করা হয়।
কলেজের ২০০১ সালের এইচএসসি ব্যাচ ‘সংশপ্তক জোহা-২০০১’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে। এ ব্যাচের বেশ কয়েকজন প্রকৌশলী, চিকিৎসক, বিসিএস ক্যাডার, ব্যাংকারসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে সফলতার সঙ্গে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
'সংশপ্তক জোহা-২০০১' আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০২২ সালে বিলচলন শহীদ শামসুজ্জোহা সরকারি কলেজে ছাত্র-শিক্ষক সম্মিলন হয় ও অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের সম্মাননা দেয়া হয়।
নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার প্রাক্তন ছাত্রদের অন্যতম বড় গ্রুপ ১৯৯৯ সালের এসএসসি ও ২০০১ সালের এইচএসসি ব্যাচ। চলনবিলের জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বৃক্ষরোপন ও নদীদূষণ রোধেও ‘সংশপ্তক জোহা-২০০১’ ব্যাচের ভূমিকা লক্ষ্য করা গেছে।