—ছবি সংগৃহিত
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা প্রশমন এবং ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা বন্ধে বড় ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আজ শুক্রবার আঞ্চলিক ছয়টি প্রভাবশালী দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথকভাবে টেলিফোনে কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
আলোচনার কেন্দ্রে যারা ছিলেন
আরাগচি আজ পর্যায়ক্রমে তুরস্ক, মিসর, কাতার, সৌদি আরব, ইরাক এবং আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে আলাপ করেন। প্রতিটি ফোনালাপেই তিনি মূলত দুটি বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছেন:
১. ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন বন্ধ করা।
২. মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে তেহরানের সর্বশেষ অবস্থান তুলে ধরা।
ইরানের কঠোর বার্তা
ফোনালাপ চলাকালে আব্বাস আরাগচি অভিযোগ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল (যাকে তিনি 'জায়নবাদী শাসন' হিসেবে অভিহিত করেছেন) المنطقة বা এই অঞ্চলে একটি যুদ্ধ চাপিয়ে দিতে চাইছে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে যেকোনো আগ্রাসন মোকাবিলায় তেহরান প্রস্তুত। একইসঙ্গে কূটনৈতিক উপায়ে এই সংকট সমাধানের জন্য তিনি প্রতিবেশী দেশগুলোর সহযোগিতা কামনা করেন।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় নতুন ‘শান্তি প্রস্তাব’
এদিকে একটি কূটনৈতিক সূত্র আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে জানিয়েছে যে, ইরান শুধুমাত্র আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। গতকাল বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের মাধ্যমে একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরান। ধারণা করা হচ্ছে, এই প্রস্তাবটি সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য একটি রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের অভিমত: গত ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান এই সংকটে সৌদি আরব ও মিসরের মতো দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের এই সরাসরি যোগাযোগ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তেহরান এখন আঞ্চলিক ঐক্যের মাধ্যমে পশ্চিমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে।