—ছবি মুক্ত প্রভাত
লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর প্রধান নাঈম কাসেমের ভাতিজাকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। আজ বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গতকাল বুধবার রাতে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে এক বিমান হামলা চালিয়ে আলি ইউসুফ হারশিকে হত্যা করা হয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, হারশি হিজবুল্লাহর বর্তমান প্রধান নাঈম কাসেমের ব্যক্তিগত সচিব এবং সম্পর্কে তাঁর ভাতিজা ছিলেন।
আইডিএফের দাবি
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, আলি ইউসুফ হারশি হিজবুল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বৈরুত এলাকায় আইডিএফের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে চালানো হামলায় তিনি ‘নির্মূল’ হয়েছেন। হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ কাউকে লক্ষ্য করে চালানো এই হামলাকে সংগঠনটির জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
হিজবুল্লাহর প্রতিক্রিয়া
ইসরায়েলের এই দাবির বিষয়ে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য বা নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। সাধারণত সংগঠনটি তাদের উচ্চপদস্থ নেতাদের মৃত্যুর খবর নির্দিষ্ট সময় পর নিশ্চিত করে থাকে।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, গত কয়েক মাস ধরে হিজবুল্লাহর শীর্ষ ও মধ্যম সারির নেতাদের লক্ষ্য করে ইসরায়েল ধারাবাহিকভাবে এই ধরনের ‘টার্গেটেড কিলিং’ চালিয়ে আসছে। হাসান নাসরুল্লাহর উত্তরসূরি হিসেবে নাঈম কাসেম দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর নিকটাত্মীয়কে হত্যার এই দাবি দুই পক্ষের সংঘাতকে আরও উসকে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, লেবানন সীমান্তে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির আলোচনার মধ্যেই এ ধরনের হামলা ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নতুন করে জটিল করে তুলবে।