—ছবি মুক্ত প্রভাত
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে নোয়াখালীর তিনটি উপজেলার অন্তত ছয়টি গ্রামে আজ শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। সকাল আটটা থেকে সাড়ে নয়টার মধ্যে এসব গ্রামের নির্দিষ্ট মসজিদগুলোতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় নিয়ম অনুসরণ করে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন এসব এলাকার বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে নোয়াখালী পৌরসভার পশ্চিম সাহাপুর, লক্ষ্মীনারায়ণপুর ও হরিণারায়ণপুর; কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের রামভল্লবপুর; বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বসন্তবাগ এবং জিরতলী ইউনিয়নের ফাজিলপুর এলাকার একটি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এসব গ্রামের বাসিন্দারা জানান, তাঁরা কয়েক বছর ধরে বিশ্বের অন্য প্রান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রোজা শুরু করেন এবং ঈদ পালন করেন। তাঁদের বিশ্বাস, চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক অবস্থান বিবেচনা করা উচিত। উৎসবমুখর পরিবেশে নারী-পুরুষ ও শিশুরা নতুন পোশাক পরে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেন।
নোয়াখালী জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তা (ডিআই ওয়ান) মো. আলতাফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, জেলার অন্তত চারটি এলাকায় উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসব এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং পুলিশি নজরদারি বজায় আছে।
দেশের অধিকাংশ মানুষ যখন শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন, তখন এই গ্রামগুলোতে বইছে ঈদের আনন্দ। বাড়িতে বাড়িতে সেমাই-পায়েসসহ বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে।