—ছবি মুক্ত প্রভাত
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে মাইজদী এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামের মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ওরফে এক্সেল জাহাঙ্গীর (৬৩) এবং তার সহযোগী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের খিলগাঁও এলাকার মো. মিলন (৫০)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার থেকে যাত্রীবেশে ইয়াবার একটি বড় চালান নোয়াখালীর সোনাপুর আসছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা ডিএনসি একটি বিশেষ দল মাইজদী এলাকায় অবস্থান নেয়। দুপুরে ঢাকা মেট্রো-ব-১৩-২৩৭০ নম্বরের ‘লাল-সবুজ’ পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি মাইজদী আবদুল হক ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌঁছালে ডিএনসি সদস্যরা তাতে তল্লাশি চালায়। এ সময় ওই দুই যাত্রীর কাছে থাকা ৮৫০ পিস ইয়াবা ও দুটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
নোয়াখালী জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বলেন, গ্রেপ্তার এক্সেল জাহাঙ্গীর পেশাদার মাদক কারবারি। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার থেকে ইয়াবা এনে নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আগে থেকেই ১৩টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
অপরদিকে, গ্রেপ্তার মো. মিলনের বিরুদ্ধেও মাদক সংক্রান্ত তিনটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএনসির এই কর্মকর্তা। তিনি জানান, এর আগে গত বছরের ৫ জুলাই চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মিলন।
এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।