—ছবি সংগৃহিত
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের সমীকরণ শেষ পর্যন্ত রূপ নিলো চরম নাটকীয়তায়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার বড় ব্যবধানে হারে কপাল পুড়ল পাকিস্তানের। লঙ্কানদের উড়িয়ে দিয়ে চতুর্থ দল হিসেবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে কিউইরা, আর সেই সাথে টুর্নামেন্ট থেকে কার্যত বিদায় ঘণ্টা বেজে গেল বাবর আজমদের।
কিউইদের দাপট, লঙ্কানদের অসহায় আত্মসমর্পণ
ম্যাচটিতে টসে জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড। কিউই বোলারদের তোপের মুখে শ্রীলঙ্কার ব্যাটাররা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েন। লঙ্কানদের দেওয়া মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ডের ওপেনাররা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। দ্রুত ম্যাচ জিতে নেওয়ায় কিউইদের নেট রান রেট (NRR) এমন এক উচ্চতায় পৌঁছায়, যা স্পর্শ করা পাকিস্তানের জন্য আকাশকুসুম কল্পনা হয়ে দাঁড়ায়।
পাকিস্তানের সামনে ‘অসম্ভব’ সমীকরণ
নিউজিল্যান্ডের এই বিশাল জয়ের পর পাকিস্তানের সেমিফাইনালে যাওয়ার পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে জিততে হতো অবিশ্বাস্য ব্যবধানে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী:
প্রথমে ব্যাটিং করলে পাকিস্তানকে জিততে হতো প্রায় ২৮৭ রানের ব্যবধানে।
আর পরে ব্যাটিং করলে মাত্র ২-৩ ওভারের মধ্যে ম্যাচ শেষ করার মতো অসম্ভব কাজ করতে হতো।
হতাশায় ডুবল পাকিস্তান সমর্থকরা
শ্রীলঙ্কা অন্তত নিউজিল্যান্ডকে কিছুটা লড়াইয়ে ফেলবে—এমনটাই আশা ছিল পাকিস্তান ভক্তদের। কিন্তু লঙ্কানদের একপেশে হারের পর বাবর আজমদের ড্রেসিংরুমে নেমে আসে বিষণ্ণতা। রান রেটের মারপ্যাঁচে আটকে গিয়ে আরও একবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে ১৯৯২-এর বিশ্বজয়ীদের।