—ছবি সংগৃহিত
নোয়াখালীর কবিরহাটে তেলবাহী লরির চাপায় গুরুতর আহত কলেজছাত্র সাইদুর রহমান (২০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) একই দুর্ঘটনায় তার বাবা সার ব্যবসায়ী সফিকুর রহমান (৬০) ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছিলেন। মাত্র ছয় দিনের ব্যবধানে বাবা ও ছেলের এই মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইদুরের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপট
গত ২০ ফেব্রুয়ারি সকালে সোনাপুর থেকে কবিরহাটগামী একটি তেলবাহী লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি দোকানে ঢুকে পড়ে। লরির নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান সফিকুর রহমান। এ সময় তার দুই ছেলে গুরুতর আহত হন।
নিহত সাইদুর রহমান কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের বড় রামদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি নোয়াখালী সরকারি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদল কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
চিকিৎসা ও বর্তমান অবস্থা
নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল জানান, দুর্ঘটনার পর দুই ভাইকে প্রথমে মাইজদী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সাইদুরের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে ছয় দিন আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে আজ সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
আইনি পদক্ষেপ
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজামুল উদ্দিন ভুঁইয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করা হয়েছে। ঘাতক লরিটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালককে আদালতের মাধ্যমে ইতিমধ্যে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।