লক্ষীপুর বাজারে মরিচ বিক্রেতা-ছবি মুক্ত প্রভাত
শনিবার( ৮ জুলাই )সকালে লক্ষীপুর বাজার ঘুরে দেখা যায় কাঁচামরিচের কেজি ৪০০ টাকা, বিগত ১ সপ্তাহ আগে যার মূল্য ছিল ৮০০ টাকা। কিন্তু ভোক্তা অধিদপ্তরের বাজার মনিটরিং থাকার কারণে কমতে শুরুকরে। নাটোরে কাঁচামরিচের কেজি দুই দিন আগে ছিল ২০০ টাকা কেজি। হঠাৎ আবারও কাঁচামরিচের উচ্চ মূল্যে বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা।
বাজারে আসা তোফায়েল ও বিভিন্ন ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় যে বাজার নিয়মিত মনিটরিং করা হলে কাঁচা বাজারের মূল্য ঠিকঠাক থাকবে। মাছ গত সপ্তাহে ২০০ থেকে ২৭০ টাকায় বিক্রি হওয়া প্রতি কেজি রুই মাছ, এসপ্তাহে তা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়।
এছাড়াও রুই মাছের পাশাপাশি কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে তেলাপিয়া মাছের দাম। তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকায়। পাঙ্গাস প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা থেকে ১৮০ টাকায়।
এছাড়া সবজির মধ্যে বেগুন ৮০ টাকা, সজিনা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচু ৮০ টাকা, আলু ৫০ টাকা। লক্ষীপুর বাজারের মাছ ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বাজারে মাছ আমদানি না হওয়ায় চড়াও দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
নাটোর সদরে ৪নং লক্ষীপুর খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নে অবস্থিত হাট লক্ষীপুর বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ মান্নান ভূঁইয়া বলেন যে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও খরা হওয়ায় বিভিন্ন সবজি ও মাছ পূর্বের মতো আমদানি না হওয়াই সাময়িক ভাবে বাজারে ঊর্ধ্বগতি মূল্যে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করেন ব্যবসায়ীরা।
ক্রেতারা অভিযোগ তুলে বলেন, প্রশাসনের কোন নজরদারি না থাকায় ব্যবসায়ীরা একচেটিয়াভাবে দাম বাড়িয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে
সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের।
নাটোর জেলা ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো: মেহেদী হাসান তানভীর বলেন যে আমরা বিভিন্ন অভিযোগ এর প্রেক্ষিতে বিভিন্ন বাজারে নিয়মিত মনিটরিং করে থাকি। ফলে বাজারের বিভিন্ন পন্যের দাম কমতে শুরু করেছে।এতে করে ক্রেতারা সুফল পাচ্ছে।