—ছবি সংগৃহিত
লক্ষ্মীপুর–৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত একটি গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বুধবার রাত আটটার দিকে শহরের ঝুমুর এলাকায় একটি তল্লাশিচৌকিতে এই টাকা উদ্ধার করা হয়।
এ সময় গাড়িতে থাকা এ্যানির ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ও কৃষক দলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি বদরুল ইসলাম শ্যামলসহ তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের জেলা জজ আদালতে নেওয়া হলে বিচারক আধা ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেন।
ঘটনার বিবরণ: নির্বাচনকালীন নিয়মিত নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ঝুমুর এলাকায় তল্লাশিচৌকি বসায় পুলিশ। সন্দেহভাজন একটি গাড়ি তল্লাশি করে ব্যাগভর্তি ১৫ লাখ টাকা পাওয়া যায়। নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সদস্য এবং লক্ষ্মীপুর জেলা জজ আদালতের বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন টাকা উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বিএনপির ব্যাখ্যা: জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান জানান, নির্বাচনী ব্যয়ের বৈধ সীমার মধ্যেই এই টাকা বহন করা হচ্ছিল। তিনি বলেন, “নির্বাচনী ব্যয় হিসেবে আমরা সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারি। সেই খরচের অংশ হিসেবেই ১৫ লাখ টাকা গাড়িতে ছিল। আমরা দ্রুত কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দেব।”
এদিকে এক ভিডিও বার্তায় প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি দাবি করেন, এই ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, “আমার নির্বাচনী এজেন্ট বিভিন্ন কেন্দ্রে খরচের টাকা পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলেন। কর্তৃপক্ষ চেক করেছে এবং আদালত তাঁদের ছেড়ে দিয়েছে।”