—ছবি সংগৃহিত
ক্ষণগণনা শেষ, এবার শুরু হচ্ছে মাঠের লড়াই। আজ মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বীদের তালিকা এখন নির্বাচন কমিশনের হাতে।
আগামীকাল প্রতীক বরাদ্দের পর বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে দেশজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা।
নির্বাচনি ময়দানের চিত্র
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সারাদেশে ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আপিল শুনানির মাধ্যমে আরও ৪ শতাধিক প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। আজ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত প্রার্থীর সংখ্যা এবং কারা স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন আর কারা দলীয় প্রতীকে থাকছেন, তার পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা কাল পাওয়া যাবে।
ভোটের দিন ও প্রক্রিয়া
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশব্যাপী একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনের বিশেষত্ব হলো—সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে 'জুলাই সনদ' বা সাংবিধানিক সংস্কারের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোটাররা পৃথক ব্যালট পেপারের মাধ্যমে তাদের পছন্দের প্রার্থী এবং প্রস্তাবিত সংস্কারের পক্ষে-বিপক্ষে রায় দেবেন।
ভোটার সংখ্যার মাইলফলক
এবার ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন ভোটারের বিশাল এক ডাটাবেজ নিয়ে মাঠে নেমেছে ইসি।
পুরুষ ভোটার: ৬ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন।
নারী ভোটার: ৬ কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪২ জন।
তৃতীয় লিঙ্গ: ১ হাজার ২৩৪ জন।
নিরাপত্তা ও তদারকি
নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ইসি ইতিমধ্যেই 'ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম' গঠন করেছে। এছাড়াও দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে বিশেষ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। আগামীকাল প্রতীক পাওয়ার পরপরই প্রার্থীরা পোস্টার, লিফলেট আর মাইকিংয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার থেকেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার সুযোগ পাবেন প্রার্থীরা।