—ছবি সংগৃহিত
রাজনীতির মাঠে নির্বাচনের উত্তাপ কম হলেও জোড়েসড়েই ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে স্থানীয় প্রশাসন। ইতিমধ্যে ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের কেন্দ্রগুলো ভোট গ্রহণের উপযুক্ত করা হয়েছে। ঝুঁকিমুক্ত ভোট গ্রহণে স্থাপন করা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরাও।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও স্থানীয় প্রশাসন বলছে, গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম উপজেলা মিলিয়ে ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৬০০ ভোটার ১৬৭টি কেন্দ্রে ভোট প্রদান করবেন। এর মধ্যে গুরুদাসপুরের ৬৮টি কেন্দ্রের কোনটিই ঝুঁকিপূণ না হলেও ইতিমধ্যে ৪৬টিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন সম্পন্ন করা হয়েছে। বাকি ২২টি কেন্দ্রেও সিসিটিভি স্থাপন কার্যক্রম চালু রয়েছে। তবে বড়াইগ্রামের ৯৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬টি কেন্দ্র রাজনৈতিক বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এসব কেন্দ্রে এরই মধ্যে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, এই আসনে জামায়াত-বিএনপিসহ জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন ও আমার বাংলাদেশ পার্টির মোট ৫জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। জামায়াতের সঙ্গে এবি পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জোট গড়ার সমীকরণ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বিএনপির আব্দুল আজিজ, জামায়াতের আব্দুল হাকিম ও জাতীয় পার্টির এম ইউসুফ আহমেদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তবে মাঠের সমীকরণ বলছে- ভোটের লড়াই হবে জামায়াত-বিএনপির মধ্যে। বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আজিজ গুরুদাসপুরের ও জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল হাকিম বাড়ি বড়াইগ্রামের একক প্রার্থী হওয়ায় সঙ্গত কারণে দুই উপজেলাতেই কিছু কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন দল দুটির নেতাকর্মীরা।
ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনে বিএনপির আব্দুল আজিজ ও জামায়াতের আব্দুল হাকিম উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, নিরবিচ্ছিন্ন ও ঝুঁকিমুক্ত ভোট গ্রহণে সিসিটিভির প্রয়োজন রয়েছে। এতে করে কোনো দলের নেতাকর্মীরাই কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পারবেন না।
সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউএনও ফাহমিদা আফরোজ বলেন, সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণের জন্য সব কেন্দ্র নিবিড়ভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে চারটি করে ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ভোটাররা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ভয়ে নির্বিঘ্নে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।