মহামারী করোনা
করোনায় আজ ৬৩ মৃত্যু, শনাক্তেও রেকর্ড অক্সফোর্ডের টিকার শিশুদের ওপর ট্রায়াল স্থগিত অক্সফোর্ডের টিকার শিশুদের ওপর ট্রায়াল স্থগিত এবার ভারতে একদিনে করোনা সংক্রমন ছাড়ালো ১লাখের বেশি দেশজুড়ে লকডাউন চলছে করোনা টিকার ২০ লাখ ডোজ আসছে আজ
মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৭/৪/২০২১ ৯:২২:৫৭ PM

মির্জাগঞ্জ ভূমি অফিসের কর্মচারীরা মন্দিরের জমি দখল করতে চাচ্ছিলেন!

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে পূর্ব সুবিদখালী গ্রামে ভূমি অফিসের তিন কর্মচারীর নিজ পরিবারের সদস্যদের নামে ২৯৬ খতিয়ানের ১৮ শতাংশ অর্পিত সম্পত্তি ইজারা নেওয়ার নামে বালু দিয়ে ভরাট ও ঐ খতিয়ানের ৪০৭ নং দাগের ৫ শতাংশ মন্দিরে এবং আশে পাশের মালিকানা জমি দখলের চেষ্টর অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

স্থানীয় সংখ্যালঘূদের অভিযোগ, চাকরির প্রভাব খাটিয়ে ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক খাদিজাতুল কোবরার স্বামী মোঃ জাহিদুল ইসলাম, নৈশ্য প্রহরী মোঃ জামিল আহমেদের মেয়ে ফাতিমা বেগম, পরিচ্ছন্ন কর্মী নিত্য মালীর নাবাল্যক ছেলে শুভ মালী (৮) সহ মোট পাচঁ জনের নামে ইজারা নিয়েছে বলে বালু দিয়ে ভরাট করছে।এবং মন্দিরের জমি দখলের চেষ্টা করছে।

ভিপি জমি ইজারা পেতে হলে দীর্ঘ সময় ভোগ দখলে থাকতে হবে। যাদের নামে ইজারা বলা হয়েছে তারা কেউ দখলে নাই। এছাড়াও চাকরির প্রভাব খাটিয়ে ১৪১৪ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত ইজরিা বাতিল না করে অন্য নামে ইজারা নিয়েছে।

জানাযায়,সুখরঞ্জন ও তার মা তীর্থ রনীর রেকডিও সম্পত্তি ছিল,স্বাধীনতার পর তাদের মৃত দেখিয়ে জমি অর্পিত সম্পত্তি (ভিপি) করা হয়।এরপর ১৪১৪ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত মোবারক আলী মুন্সি ইজারা নেন।

পরে সুখরঞ্জন জীবিত ফিরে আসলে অর্পিত সম্পত্তি নিয়ে পটুয়াখলীর ভিপি ট্রাইবুনাল কোর্টে মামলা করেন সুখরঞ্জন। যার মামলা নং-৮২৪ এবং চলমান। পরে মোবারক আলী মুন্সি এই জমি ভোগ করবেনা বলে নাদাবী দেন সুখরঞ্জনকে । 

সুখরঞ্জনের ছেলে সুভাষ,রাজিব ও গোপাল বলেন, অফিসের প্রভাব খাটিয়ে মন্দিরে জমি ইজারা নিয়েছে ।আমরা হিন্দু সম্প্রদায় এর বিচার চাই। জমি আমাদের  ভোগদখলে ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক খাদিজা আমাদের সরে যেতে বলে।

পাশে জমি থাকা ভুক্তভোগী মোঃ মোসলেম আলী জানান, ঐ জমিতে বালু ফালানোর পাশাপাশি পাশের আমার জমি বালি দিয়ে দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে ভুমি অফিসের খাদিজা।

পরিচ্ছন্ন কর্মী নিত্য মালী বলেন,খাদিজা আপার পরামর্শে আমরা ইজারার জন্য আবেদন করি।সরকার আমাদের ইজারা দিয়েছে।

উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের অফিস সহায়ক খাদিজাতুল কোবরা বলেন, আমার আত্মীয়র নামে ইজারা নেওয়া,আমি মাধ্যম হয়ে বালু ফালাচ্ছি। এক পর্যায় তার 
স্বামীর নামে ইজারা নেওয়া হয়েছে বলে স্বীকার করেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রায়হান উজ্জামান বলেন, ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে তদন্ত করা হবে এবং নিয়ম বহির্ভুত ভাবে ইজারা নেওয়া হলে তা বাতিল করা হবে।



সপ্তাহের সর্বাধিক পঠিত খবর সমূহ
অন্যান্য খবর