৫ জানুয়ারি, ২০২৬

চিলমারীতে টানা শৈত্য প্রবাহে বোরো বীজ তলা নিয়ে হতাশাগ্রস্থ কৃষক

চিলমারীতে টানা শৈত্য প্রবাহে বোরো বীজ তলা নিয়ে হতাশাগ্রস্থ কৃষক

কুড়িগ্রামের চিলামারীতে টানা শৈত্য প্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় ইরি-বোরো বীজতলা ক্ষতির আশংকায় কৃষক হতাশাগ্রস্থ হয়ে  পড়েছে। ৫ দিন ধরে এলাকায় সূর্যের দেখা মিলছে না। ফলে ঘন কুয়াশায় ও কনকনে শীতে বোরোর বীজতলা হলুদ ও বিবর্ন রঙ ধারণ করছে।

বোরো বীজতলা  নষ্টের আশংকায় কৃষক দুচিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে।  চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো আবাদ ব্যাহত আশংকা দেখা দিয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘন-কুয়াশা তীব্র শৈত্য প্রবাহে ইরি-বোরো ধানের বীজ তলা সবুজ রঙ বদলে গিয়ে হলুদ ও ‍বিবর্ণ হয়ে গেছে।

প্রতিকুল আহাওয়ায় কৃষক বীজতলা রক্ষায় বিভিন্ন প্রকার  উদ্যোগ নিচ্ছেন। কেউ  বীজতলা রক্ষার জন্য পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখছেন, আবার কেউ ছত্রাকনাশক স্প্রে করছেন। তবুও বীজতলা ক্ষতির আশংকায় কৃষক হতাশাগ্রস্থ।

উপজেলা থানাহাট ইউনিয়নের গবেরতল এলাকার কৃষক আকরাম হোসেন বলেন, তিনি ১২ শতক জমিতে ব্রি-ধান ১০০ জাতের বীজ তলা বপন করেছেন। কিন্তু ঘন-কুয়াশা ও প্রচন্ড শীতের কারণে বীজতলা হলুদ বর্ণ হয়ে গেছে এ নিয়ে দুচিন্তায় আছি।

একই ইউনিয়নের রাজারভিটা এলাকার কৃষক আ: কাদের জানান, ইরি-বোরো চাষের জন্য বীজতলা তৈরী করেছি, কিন্তু ঘন-কুয়াশা আর তীব্র শীতের কারণে চারাগুলো বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে। কুয়াশা থেকে রক্ষার জন্য বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢাকার পরও আশানুরুপ ফল পাচ্ছিনা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় জানান, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ৫১০ হেক্টর জমিতে বোরো বীজতলা তৈরী করা হয়েছে। প্রতিকুল আবহাওয়া বিরাজ করার কারণে কিছু বীজতলা সাময়িক ক্ষতির আশংকা দেখা দিলেও তবে বীজতলা নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা কম।