৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫

২০২৬ সাল হবে গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বছর: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

২০২৬ সাল হবে গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বছর: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

২০২৫ ইংরেজি নববর্ষ ২০২৬ উপলক্ষ্যে দেশবাসী ও বিশ্ববাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এক বিশেষ বাণী দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দেওয়া এই বাণীতে তিনি আগামী বছরটিকে বাংলাদেশের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে অভিহিত করেন।

প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে ২০২৬ সালের দুটি বড় কর্মপরিকল্পনার কথা স্পষ্ট করেছেন— একটি জাতীয় নির্বাচন এবং অন্যটি ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট।

একটি ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশের অঙ্গীকার
প্রফেসর ইউনূস বলেন, “নববর্ষ মানেই নতুন স্বপ্ন, নতুন আশা ও নতুন সম্ভাবনার সূচনা। নতুনের এ আগমনী বার্তা আমাদের উদ্বেলিত করে। সব গ্লানি ভুলে সুন্দর আগামীর পথচলার জন্য যোগায় নবোদ্যম ও অনুপ্রেরণা।” তিনি উল্লেখ করেন যে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ২০২৬ সাল জাতীয় জীবনের জন্য এক বিশেষ সন্ধিক্ষণ।

রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনের রোডম্যাপ
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বাণীতে গণতান্ত্রিক উত্তরণের চূড়ান্ত লক্ষ্যের কথা তুলে ধরে বলেন, “ত্রুটিপূর্ণ রাষ্ট্রব্যবস্থাকে মেরামত করে আমরা যে যাত্রা শুরু করেছি, নতুন বছরে একটি জাতীয় নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট আয়োজনের মধ্য দিয়ে তা পূর্ণতা পাবে বলে আমরা আশা করছি।”

তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, দেশের বিরুদ্ধে চলা সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে এই নির্বাচন ও গণভোট বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে।

বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার আহ্বান
একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে সবাইকে দেশের কল্যাণে সর্বশক্তি নিয়োগ করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, “নতুন বছরে সকল চ্যালেঞ্জ একসাথে মোকাবিলা করে আমরা একটি সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলব। নতুন বছরে আরও জোরদার হোক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।”

প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধান উপদেষ্টার এই বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা দূর করতে বড় ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের ঠিক পরদিন এই বক্তব্য দেশের সাধারণ মানুষকে একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি আশ্বস্ত করেছে। ২০২৬ সালে নির্বাচন ও গণভোটের ঘোষণা অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কাজের গতি এবং লক্ষ্যেরই বহিঃপ্রকাশ।

আপনার জন্য কি এই প্রতিবেদনটি পর্যাপ্ত? আপনি চাইলে আমি ড. ইউনূসের এই বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে একটি সংক্ষিপ্ত ফেসবুক পোস্ট বা সোশ্যাল মিডিয়া কপিও লিখে দিতে পারি।