২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

পূর্বাচলে উইকেটের মাটি উধাও: চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন বিসিবির

পূর্বাচলে উইকেটের মাটি উধাও: চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন বিসিবির

পূর্বাচলে উইকেট নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া মাটি উধাও হওয়ার ঘটনায় দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, পূর্বাচলের মাঠে মোট ২০ হাজার সিএফটি মাটি সরবরাহের কথা থাকলেও বাস্তবে পাওয়া গেছে মাত্র ৭ হাজার ৫০০ সিএফটি। ফলে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ সিএফটি মাটি নিখোঁজ রয়েছে, যার আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ২৪ লাখ টাকা।

তবে এই মাটি মাঠ থেকে চুরি হয়েছে নাকি আদৌ পুরো মাটি মাঠে পৌঁছায়নি—সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি বিসিবি। বিষয়টির প্রকৃত সত্য উদঘাটনে এবার চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ক্রিকেট বোর্ড। কমিটিতে বিসিবির দুই কর্মকর্তা ও বাইরে থেকে দুইজন তদন্ত কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

গতকাল বিসিবির বোর্ড সভা শেষে পরিচালক খালেদ মাসুদ পাইলট সাংবাদিকদের জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যাবে বলে তারা আশাবাদী।

এদিকে একই দিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন এবং পরিচালক মোকছেদুল বাবু। সেখানে আমজাদ হোসেন জানান, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা ও চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে রাইজিং স্টার অনূর্ধ্ব-২৩ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। পাশাপাশি তিনি নিশ্চিত করেন, সিলেটে বিপিএলের উদ্বোধনী দিনের দুই ম্যাচের টিকিট ইতোমধ্যেই ‘সোল্ড আউট’ হয়ে গেছে।

অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে বিসিবি পরিচালক ও সিসিডিএম চেয়ারম্যান আদনান রহমান দীপনের এক মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, বিসিবিতে গত ছয় মাসে যে মাত্রার দুর্নীতি হয়েছে, তা নাজমুল হাসান পাপনের এক যুগেরও বেশি সময়ের নেতৃত্বকালকে ছাড়িয়ে গেছে—যা ক্রিকেট মহলে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।