চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সাহসী সদস্য শরিফ ওসমান হাদিকে শহীদ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ওসমান হাদি ছিলেন একটি সাহসী প্রজন্মের প্রতীক, যিনি গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, “কয়েকদিন আগে চব্বিশের আন্দোলনের এক সাহসী সন্তান ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি শহীদ হয়েছেন।”
ওসমান হাদির প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, তিনি চেয়েছিলেন দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক, মানুষ তাদের ভোটাধিকার ও অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। তার এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায় এখন আমাদের সবার।
তিনি আরও বলেন, “চব্বিশের আন্দোলনের শহীদরা, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের শহীদরা এবং স্বৈরাচারী শাসনের সময় গুম-খুনের শিকার হওয়া মানুষদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে আমাদের একটি গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।”
দেশের বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বিভিন্ন আধিপত্যবাদী শক্তির গুপ্তচররা সক্রিয় রয়েছে। এ অবস্থায় সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্ব নিয়ে সামনে এগিয়ে আসতে হবে।
তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আগামী দিনে দেশ পরিচালনার ভার তোমাদের কাঁধেই পড়বে। গণতান্ত্রিক ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর বাংলাদেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব আজ তোমাদের গ্রহণ করতে হবে।”
দেশ পরিচালনায় ন্যায়পরায়ণতার অঙ্গীকার করে তারেক রহমান বলেন, মহানবি হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ন্যায়পরায়ণতার আদর্শ অনুসরণ করেই আগামী দিনের বাংলাদেশ পরিচালনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।
তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যে কোনো উসকানির মুখে ধীর-শান্ত থাকতে হবে এবং যে কোনো মূল্যে দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। “আমরা শান্তি চাই, দেশের মানুষের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই”—বলেন তিনি।