পৌষের শুরুতে নাটোরের লালপুর উপজেলায় হঠাৎ করে বেড়েছে শীতের তীব্রতা কয়েকদিন ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় কারণে সূর্যের দেখা মিলছে না বললেই চলে। এর কারনে স্বাভাবিক জনজীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি। বিশেষ করে খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষের পড়েছে সব চেয়ে বিপাকে।
পৌষ মাসের কয়েক দিন যেতেই শুরু হয়েছে লালপুর সহ আশেপাশের এলাকার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশা ঢেকে থাকছে। দিনের বেলাতে ও শীতের অনুভূতি থাকায় মানুষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হতে চাইছে না। সকলে স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষদের কষ্টের সঙ্গে বের হতে দেখা যাচ্ছে।ঘন কুয়াশার কারনে সড়কে চলাচলকারী যানবাহন গুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে হচ্ছে। এতে করে দুর্ঘটনা ঝুঁকি ও বেড়ে গেছে বলে জানাই স্থানীয়রা।
বিশেষ করে গ্রামীণ সড়কে গুলোতে, দূশমানতা কম থাকায় চালকেরা আতঙ্কে চলাচল করছেন। এদিকে শীতে প্রকোপে সবচেয়ে বেশি কষ্টে দিনমজুর, ভ্যানচালক, রিকশাচালক, কৃষি শ্রমিকরা। অনেকেই পর্যাপ্ত শীতবস্তের অভাবে কাজে যেতে পারছে না। শীতের কারণে আয়ের সংকুচিত হওয়ায় তাদের পরিবার নিয়ে পড়তে হচ্ছে দুর্ভোগে।স্থানীরা জানাই দ্রুত তাপমাত্রা স্বাভাবিক না হলে শীত জনিত রোগে আক্রান্ত সংখ্যা বাড়তে পারে। তাই অসহায় ও নিম্নয়ের মানুষদের পাশে দাঁড়াতে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জানিয়েছেন সচেতন মহল