২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

বড়দিনে দেশজুড়ে র‌্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা, পটকা–আতশবাজি নিষিদ্ধ

বড়দিনে দেশজুড়ে র‌্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা, পটকা–আতশবাজি নিষিদ্ধ

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিনকে ঘিরে সারাদেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। উৎসবটি শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নভাবে উদ্‌যাপনের লক্ষ্যে ২৩ ডিসেম্বর থেকেই বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও নিরাপত্তা তৎপরতা।

র‌্যাব জানায়, গুরুত্বপূর্ণ চার্চ ও উপাসনালয়ে পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দিয়ে নিয়মিত সুইপিং চলছে, আর যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে স্পেশাল ফোর্সের কমান্ডো টিম প্রস্তুত রয়েছে।

মেট্রোপলিটন শহর থেকে জেলা–উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত চার্চ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট, টহল এবং সাদা পোশাকে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকাতে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ কার্যক্রমও চলমান।

অনলাইনে গুজব ও উসকানি ঠেকাতে র‌্যাবের সাইবার মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিক কাজ করছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

এদিকে বড়দিন উদ্‌যাপন কমিটির উদ্যোগে সিসিটিভি মনিটরিং, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ ও সন্দেহভাজনদের তল্লাশি চলছে। নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে আলাদা ব্যবস্থা।

বিদেশি কূটনীতিক, ভিআইপি, ধর্মযাজকসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য পৃথক ঝুঁকি মূল্যায়নের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। রাজধানীর বনানী, গুলশান, উত্তরা, হাতিরঝিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ছাড়াও কক্সবাজার ও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

র‌্যাব জানিয়েছে, বড়দিন উপলক্ষে পটকা, আতশবাজি ও আগুনচালিত ফানুস উড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এ বিষয়ে কঠোর নজরদারি চলবে।

সার্বিক নিরাপত্তা সমন্বয়ে র‌্যাব সদর দপ্তরে কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে (হটলাইন: ০১৭৭৭৭২০০২৯)। কোনো সন্দেহজনক তথ্য পেলে তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।