ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি–টোয়েন্টিতে (আইএল টি–টোয়েন্টি) এমআই এমিরেটসের হয়ে অভিষেকে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন সাকিব আল হাসান। অভিষেক ম্যাচে ব্যাট হাতে সুযোগ পেলেও প্রত্যাশার ছাপ রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন এই টাইগার অলরাউন্ডার। ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণে আউট হওয়ার আগেই তাঁকে ‘রিটায়ার্ড আউট’ করিয়ে মাঠ থেকে তুলে নেয় এমআই এমিরেটস।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) শারজাহ ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮৫ রান সংগ্রহ করে এমআই এমিরেটস। শুরুটা দারুণ করেন দুই ওপেনার জনি বেয়ারস্ট্রো ও মোহাম্মদ ওয়াসিম। ৫৬ রানের জুটি গড়ে তোলেন তাঁরা।
দ্রুত ২৪ বলে ৩৭ রান করে আউট হন জনি বেয়ারস্ট্রো। অন্য ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিম করেন ৩৯ রান। তবে তিন নম্বরে নামা নিকোলাস পুরান ছিলেন পুরোপুরি ব্যর্থ—১২ বলে মাত্র ৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন।
৮৪ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ব্যাট হাতে নামেন সাকিব আল হাসান। শুরুতে সময় নিলেও উইকেটে সেট হওয়ার পরেও গিয়ার বদলাতে পারছিলেন না তিনি। ২টি চারে ১২ বলে ১৬ রান করে অপরাজিত থাকা অবস্থায় তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেয় টিম ম্যানেজমেন্ট। টি–টোয়েন্টির দ্রুতগতির ক্রিকেটে তাঁর এই মন্থর ইনিংসকে দলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেই এই সিদ্ধান্ত নেয় এমআই এমিরেটস ম্যানেজমেন্ট।
শেষদিকে রোমারিও শেফার্ড ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ইনিংসটি এগিয়ে নেন। মাত্র ১০ বলে ৩১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি, যা দলকে সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দিতে বড় ভূমিকা রাখে।
এই ম্যাচে সাকিবের ‘রিটায়ার্ড আউট’ ঘটনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই বলছেন, টি–টোয়েন্টির আধুনিক ক্রিকেটে অভিজ্ঞ হলেও এখনও তাঁকে আরও গতিময় ব্যাটিংয়ে মানিয়ে নিতে হবে।