রোববার (৭ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের দশম কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের আপাতত ‘রিজার্ভ’ তালিকায় রাখা হচ্ছে এবং একান্ত প্রয়োজন না হলে তাদের দায়িত্বে আনা হবে না।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে নির্বাচন প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মাঠপর্যায় থেকে পাওয়া প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের প্রাথমিক তালিকা ইতোমধ্যে পর্যালোচনা করা হয়েছে। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কর্মকর্তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে।