২২ অক্টোবর, ২০২৫

দৃষ্টি প্রতিবন্ধি হাফেজ চাঁন সওদাগরের মানবেতর জীবন

দৃষ্টি প্রতিবন্ধি হাফেজ চাঁন সওদাগরের মানবেতর জীবন

জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের আমখাওয়া পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা চাঁন সওদাগর(৫৫)।

তিনি দৃষ্টিহীনতাকে (অন্ধ) হার মানিয়ে ধর্মীয় অনুভূতি ও জীবন সংগ্রামে হয়েছেন আল কোরআনের হাফেজ।

জানাযায়- ১৯৭১মহান মুক্তিযোদ্ধের সময় পাকসেনারা তার পিতা-মাতাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেয়। সে সময় পিতা-মাতা হারা মাত্র ৪ বৎসর বয়সের শিশুর চাঁন সওদাগরের ভাগ্যে নেমে আসে অন্ধকার ভবিষত।

শুধু তাই নয়, ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস সেই বয়সে গুটিবসন্তে আক্রন্ত হয়ে তাঁর দৃষ্টি শক্তি চিরতরে নিভে যায়।

এমতাবস্থায় থেমে থাকেনি তার জীবন সংগ্রাম। তিনি ধর্মীয় অনুভূতি বুকে নিয়ে ব্রেইল পদ্ধতি ব্যবহার করে পুরো কোরআন মুখস্থ করে হয়েছেন আল কোরআনের হাফেজ।

স্থানীয় এলাকাবাসিরা জানায়, অন্ধ হাফেজ চাঁন সওদাগর হাত পেতে ভিক্ষাভিত্তিকে পাশ কাটিয়ে এলাকায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধি শিশুদের ব্রেইল পদ্ধতি কোরআন শিক্ষা দিয়ে কিছু আর্থিক সুবিধা গ্রহন করাসহ ব্রেইল পদ্ধতি বই বিক্রি করে চলতো তার সংসার। তার ব্রেইল পদ্ধতি কোরআনটি অনেক পুরোনো। বর্তমানে নষ্ট হয়ে অকেজু অবস্থায় রয়েছে।


খোঁজ নিয়ে দেখাগেছে পলিথিন আর ছেড়া কাপড়ে মোড়ানো একটি ছোটত্ম কুঁড়েঘরে চলছে তার মানবেতর জীবন যাপন। অর্থের আভাবে ঘরটি ঠিক করতে পারছেন না তিনি।

দৃষ্টি প্রতিবন্ধি অন্ধ হাফেজ চাঁন সওদাগর জানান- তার ব্রেইল পদ্ধতি কোরআনটি অনেক পুরোনো নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে তাই তিনি দৃষ্টি প্রতিবন্ধি শিশু-কিশোরদের শিক্ষা দিয়ে অর্থ উপার্জন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। বিধায় তিনি চরম অভাব-অনটনের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন।

এ কারণে তিনি মানুষ মানুষের জন্যে জীবন জীবনের জন্যে একটু সহানুভূতি রাষ্ট্র কিংবা সমাজের অর্থবান বৃত্তবান হৃদয়বান ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের কাছে তার চাওয়া একটি নতুন ব্রেইল পদ্ধতির তাফসিরসহ কোরআন মাজিদ এবং স্বামী-স্ত্রীর মাথা গোঁজার ঠাঁই একটি ছোটখাটো ঘরের নিশ্চয়তা পেলে দোয়া করতেন।

আর্থিক সাহায্য পাঠানো ঠিকানাঃ- শিরিনা বেগম সঞ্চয়ী হিসাব নং ৬৯৪৯ জামালপুর-শাখা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ । বিকাশ/নগদ ০১৭৬১-৫৮৬৭৯১।