ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। বিমানবন্দরের কার্গভীরে সহ অন্যান্য অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নাশকতাবাদ অগ্নিসংযোগের কোন বিসর্জনযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে সরকার তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
আজ শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। রাতপুনে ৯ টায় অগ্নিকাণ্ড নিয়ে বিবৃতি দেয় সরকার। ওই বিবৃতিতে বলা হয়, কোন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা উস্কানির মাধ্যমে জনজীবন ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করার সুযোগ দেয়া হবে না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, 'দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি সংঘটিত একাধিক ঘটনায় জনগণের যে উদ্যোগ সৃষ্টি হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার তা গভীরভাবে অবগত। আমরা সকল নাগরিকের আশ্বস্ত করতে চাই নিরাপত্তা সংস্থাগুলো প্রতিটি ঘটনা গভীরভাবে তদন্ত করছে এবং মানুষের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। '
অন্তর্বর্তী সরকার বিবৃতিতে আরো বলে, 'আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, যদি এসব অগ্নিকাণ্ড নাশকতা হিসেবে প্রমাণিত হয় এবং এর উদ্দেশ্য হয় জনমনে আতঙ্ক বা বিভাজন সৃষ্টি করা, তবে তারা সফল হবে কেবল তখনই, যখন আমরা উভয়কে আমাদের বিবেচনা দৃঢ়তার উপর প্রাধান্য দিতে দেব।'
আজ শনিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্য ভিলেজে দুপুর আড়াইটার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। রাগ করি নোট ৯ টা পর্যন্ত এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত বিমানবন্দরে আগুন জ্বলছিল।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরের চট্টগ্রামের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে অবস্থিত অ্যাডামস এন্ড টেক্সটাইল লিমিটেডের একটি কারখানায় আগুন লাগে। প্রায় ১৭ ঘণ্টা প্রচেষ্টার পর সকাল সাড়ে সাতটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
এই অগ্নিকাণ্ডের আগে গত মঙ্গলবার মিরপুরের শিয়ালবাড়ির একটি টিনের ছাউনির দোতলার রাসায়নিক গুদামে আগুন লাগে। এতে মৃত্যু হয় অন্তত ছয়জনের।
এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার প্রেক্ষিতে বিবৃতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকার বলছে, 'ইতিপূর্বে ও বাংলাদেশ বহু কঠিন সময় অতিক্রম করেছে। আমরা ঐক্য সংযম ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে আমাদের গণতন্ত্র উত্তরণের পথে যে কোন হুমকির মোকাবেলা করব। আমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই।'