সিরাজগঞ্জ রোড থেকে বগুড়া ও নাটোর-রাজশাহী মহাসড়ক পর্যন্ত বিস্তৃত হাইওয়ে এলাকায় হোটেলগুলোয় চলছে চোরাই তেলের জমজমাট ব্যবসা। ট্রাক, পিকআপ ও লরির চালকরা মহাসড়কের পাশে থেমে এসব হোটেলে তেল বিক্রি করছে নিয়মিত, আর হোটেলগুলোও কোনো দ্বিধা ছাড়াই তা কিনে নিচ্ছে।
দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা চলছে এই অবৈধ বাণিজ্য। মনে হচ্ছে, বিষয়টি দেখার যেন কেউ নেই।
বিশেষ করে বগুড়া রোডের পরিচিত হোটেল ‘মায়ের আঁচল’-এর পাসে গড়ে উঠেছে একটি চোরাই তেল বিক্রির দোকান। সেখানে চোরাই তেলের দোকানদার কবির সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা অনেক দিন ধরেই এই ব্যবসা করছি। সব কিছু ম্যানেজ করেই চলতেছি।”
এই ব্যবসা থেকে সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব, অন্যদিকে সড়কপথে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এবং পরিবেশও মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে।
সলঙ্গা থানার ওসি বলেন, তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এই চক্রে পরিবহন চালক, হোটেল মালিক, এমনকি কিছু অসাধু প্রভাবশালী ব্যক্তিও জড়িত। অবিলম্বে কঠোর অভিযান না চালালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।