ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার জগন্নাথপুর মাস্টারপাড়া এলাকার ইমরান বেকারির পাশের একটি বৈদ্যুতিক পিলারে পাখির ছানা আটকে পরে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা নতুন বাসা তৈরি করে দিয়ে পাখির ছানাগুলোকে পুনরায় বসিয়ে দেয়।
ফায়ার সার্ভিস সুত্রে যানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে আমরা মুঠোফোনের মাধ্যমে জানতে পারি কিছু পাখির ছানা গুলোকে বৈদ্যুতিক পিলারে আটকা পরেছে। তারই প্রেক্ষিতে আমরা তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে আসি এবং পাখির ছানাগুলোকে উদ্ধার করি।
ফায়ারসার্ভিস এর গাড়ি সাথেই দ্রুত গতিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌচান সাংবাদিক জুনায়েদ কবির, ঘটনাস্থলে গিয়ে কিছু সময় ভাবলেন এমন কাজেও ঠাকুরগাঁও ফায়ারসার্ভিস তৎক্ষণাৎ সহযোগীতা করতে চলে এসেছে। এমন মানবিক কাজে ফায়ারসার্ভিসকে পেয়ে এলাকাবাসীও বেশ খুশি হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও ফায়ারসার্ভিস এর এমন কাজে পাখি প্রেমি ও সাংবাদিক মাসুদ রানা পলক বলেন, তিনাদের এমন মহৎ কাজের প্রতি আমদের শ্রদ্ধা ও সস্মান বেরে গেল। আরও একটি বিষয় অবশ্যই বলতে হয় যে ব্যক্তি মুঠোফোনে ঠাকুরগাঁও ফায়ারসার্ভিসকে জানিয়েছিল তিনাকে ধন্যবাদ জানাই তিনি মানবিক কাজ করেছেন।এমন মহতী উদ্যোগ এর মাধ্যমে বেচে থাকুক মানবতা।
এলাকাবাসী মোঃমাসুদ রানা জানান, পাখির ছানাগুলো অনেক সময় ধরে ছটফট করছিল আমরা প্রথমে ভেবেছি বিদ্যুৎ এর সাথে লেগে গেছে হয়ত। কিন্তু পরক্ষনে আবারও তাদের ছটফটানি দেখা যায়। তখন বেকারী কর্মচারী জসিম ফায়ারসার্ভিস এর নাস্বারে ফোনদিয়ে জানান যে পিলারের তারের সাথে কিছু পাখির ছানা লেগে আছে। কথা শেষ করে আমরা ভেবেই নিয়েছিলাম হয়ত আর ফায়ারসার্ভিস এর উদ্ধার কর্মীরা আসবেনা।
তবে তার কিছুক্ষণ পরেই ফায়ারসার্ভিস এর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌচে পাখির ছানাদের উদ্ধার করে সেখানেই একটু নিচু জায়গায় নতুন বাসা তৈরি করে তাদের বসিয়েদেন।ফায়ারসার্ভিস এর এমন কাজ আজ আমাদের এলাকায় বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো।
পাখির ছানাগুলোর ছটফটানি ও মা পাখিটার আত্মনাত দেখে থাকতে না পেরে বেকারি কারিগর মোঃ জসিম তার মুঠোফোনে ফেসবুক ও ইউটিউবে সার্চ দিয়ে খুজতে থাকেন কিভাবে ছানাগুলো উদ্ধার করা যাবে পরে তিনি ঠাকুরগাঁও ফ্রায়ার সার্ভিসে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন এবং ফ্রায়ার সার্ভিস এর টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পাখির ছানাগুলো উদ্ধার করে।
তিনি আরও জানান, পাখির ছানাগুলো উদ্ধার হওয়ায় আমাকে অনেক ভাল লেগেছে। পাখির ছানাগুলো উদ্ধার করতে গিয়ে প্রথমে মুঠোফোনে ২০ টাকা ফ্লেক্সিলোড করি সেটা শেষ হলে আবার ২০ টাকা ফ্লেক্সিলোড করি এবং শেষে পরে আবার ৩০ টাকা ফ্লেক্সি লোড করি।
আমি বেকারিতে কাজ করা অবস্থায় জানালাদিয়ে দেখি যে পাখির ছানাগুলো আটকা পরায় মা পাখিটা প্রায় ৩ঘন্টা ধরে বেশ কয়েকবার চেস্টা করে উদ্ধারে কিন্তু কিছু করতে পারেনি। পাখি দুটো তাদের বাচ্চাদের উদ্ধারে চেষ্টার পর চেষ্টা করে চলেছে। তখন আমি ভাবলাম না আমি কিছু একটা চেষ্টা করি এবং আল্লাহর রহমতে করতে পারছি।
ঠাকুরগাঁও ফায়ার স্টেশন ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর মোঃ মোজাম্মেল আমাদের জানান, আমাদের ফায়ারসার্ভিস এর মূলকাজ হচ্ছে জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা। আজ দুপুরে আমরা মুঠোফোনে খবর পাই কয়েকটি পাখির ছানা বিদ্যুৎ পিলারের মাথায় শুতো অথবা তার দিয়ে আটকা পরেছে। মানবিক দিক থেকে যেহেতু পাখি প্রাকৃতিক সম্পদ এ সম্পদ রক্ষা করাটা আমাদের দায়িত্ব। আমি তাৎক্ষণিক আমার একটি টিম ঘটনাস্থলে উদ্ধার কার্যক্রমে পাঠাই।
এবং তারা পাখির ছানা গুলোকে জীবিত উদ্ধার করে সেখানে তাদের নতুন বাসা স্থাপন করে দেয়। আমাদের অনুভুতিটা যেহেতু জীবন সম্পদ রক্ষা করা আমাদের কাজ সেহেতু কোন জীবন রক্ষা করতে পারলে ভাল লাগার বিষয় আছে। সেটা যদি প্রকৃতিক সস্পদ পাখি হয় সেটা অবশ্যই ভাল লাগে। আমরা চাই মানুষজন আমাদের এ ধরনের সংবাদ দিক আমরা উদ্ধার কাজ করতে পারি।