ডেনমার্ক এর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রীনল্যান্ড। সেটি দখল করতে বেশ মরিয়া আমেরিকা প্রশাসন। বিশেষ করে সদ্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রীতিমতো গ্রীনল্যান্ড দখলের একটি ঘোষনাও দিয়েছে। তার এ ঘোষনায়
বিশ্বজুড়ে বেশ সমালোচনা ছড়িয়েছে ।
তবে ফ্রান্স ও জার্মান এ ব্যাপারে আমেরিকান প্রেসিডেন্টের বেশ বিরোধীতা করছে। তারা বলছেন প্রত্যেকটি দেশের নিজস্ব সার্বভৌম রক্ষা আইন রয়েছে। সে আইনের প্রতি সবার শ্রদ্ধা থাকা উচিত। দেশটি ছোট হোক বড় হোক সবদেশের সার্বভৌম রক্ষা আইন এক।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের দখলবাজনীতির কড়া সমালোচনা করে জার্মান চ্যান্সেলর গুলাফ শলৎজ বলেছেন- ‘সীমানা অখন্ডতার নীতি সবদেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ফরাসী পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাঁ নোয়েল ব্যারো বলেছেন-
ইউরোপীয় ইউনিয়ন কখনোই দেশের সার্বভৌম সীমান্তে আক্রমন করতে দেবে না। গত মঙ্গলবার ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রীনল্যান্ড অধিগ্রহনের ইচ্ছা পোষন করেন এবং আকর্টিক দ্বীপ আমেরিকার জন্য জাতূীয় ও
অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রাকৃতিক সৌর্ন্দয্য ঘেরা গ্রীনল্যান্ড দ্বীপ
কি আছে গ্রীনল্যান্ডে, সোনা, প্লাটিনাম, হিরা ও রুবির মতো দামি খণিজ, তেমনি আছে লিথিয়াম, টাইটেনিয়ামসহ বিরল সব ধাতুর খনি।
জ্বালানি উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কয়লা ও ইউরেনিয়ামের মত মূল্যবান খনি। এছাড়া প্রাকৃতিক গ্যাসও প্রচুর রয়েছে এখানে। এ কারণেই গ্রীনল্যান্ডকে মন থেকে সড়াতে পারছে না ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বব্যাংক মনে
করছে ২০৫০ সাল নাগাদ গ্রীনল্যান্ড হবে অপার সৌন্দয্যের এ বিরল দেশ। প্রায় পাঁচগুন বেশি চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে গ্রীনল্যান্ড। এর আগে ২০১৯ সালে গ্রীণল্যান্ডকে কেনার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।