৭ জানুয়ারি, ২০২৫

ইসলামপুরে ব্রীজের এপ্রোসের মাটি সরে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে যান চলাচল

ইসলামপুরে ব্রীজের এপ্রোসের মাটি সরে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে যান চলাচল

জামালপুরের ইসলামপুরে বলিয়াদহ নদী উপর নির্মিত ব্রীজের আশেপাশে থাকা মাটি উত্তোলনের কারণে এ্যাপ্রোজের গোড়া থেকে মাটি সরে গিয়েছে। সেই সাথে জনদুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।  এতে প্রতিদিন শত শত যানবাহনসহ ২০টি গ্রামের ৫০ হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও। যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।

জানা গেছে, গত ২ মাস আগে টানা বর্ষণের কারণে আমতলী বাজার  মোড় থেকে চিনাডুলী এস,এন উচ্চ  উচ্চবিদ্যালয় সংলগ্ন ব্রীজের এ্যাপোজের একটি অংশের মাটি পাশের বলিয়াদহ আগারি খালে ধসে যায়। দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো সংস্কার করা হয়নি ধসে যাওয়া অংশটি। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সংযোগ সড়কটি সংস্কার করা হোক।

৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের একপাশের এ্যাপোজের বেশিরভাগ মাটি  পাশের বলিয়াদহ আগারি খালে ধসে গেছে। ধসে পড়া সড়ক দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলছে ভটভটি, ইজিবাইক, পিকআপভ্যান ও ভ্যানগাড়িসহ বিভিন্ন ভাড়ী যানবাহন।

ভ্যানচালক রহিম মণ্ডল, সাহাবুদ্দিন প্রামাণিক ও ইজিবাইকচালক আলাউদ্দিন  বলেন, এ সড়ক দিয়ে ইসলামপুর উপজেলা বলিয়াদহ হয়ে মেলান্দহ-মাদারগঞ্জের গাড়ি ও লোক চলাচল করে। প্রতিনিয়ত আমাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। তাই কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জনসাধারণের জন্য সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা হোক।

চিনাডুলী এস,এন উচ্চ বিদ্যালয়ের  প্রধান শিক্ষক মুজাহিদুল ইসলাম বিজয়  বলেন, ব্রীজের এ্যাপ্রোজ বক্স থেকে  সড়কটির মাটি ধসে যাওয়ায় আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে হচ্ছে। দ্রুত ব্রীজটির সংস্কার করা উচিত।

উপজেলা এলজিইডি  প্রকৌশলী মোঃ আমিনুল হক  বলেন, বলিয়াদহ  রাস্তাটি খুবই জনগুরুত্বপূর্ণ। বিগত সময়ে বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে ব্রীজের নীচ থেকে মাটি  পাশের খালে ধসে পড়েছে। আশা করছি খুব দ্রুতই আমরা মেরামত করে ফেলতে পারব। রাস্তাটি মেরামত হলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

মুক্ত/আরেফিন