এতিম খানা, লিল্লাহবোর্ডিং এবং আবাসিক পর্যায়ের ২৬টি কওমি মাদরাসায় দুম্বার মাংস বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে মাদরাসার শিক্ষকদের হাতে মাংসের কাটুনগুলো তুলে দেওয়া হয়। মাংস পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন মাদরাসার শিক্ষকরা।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আরব দেশগুলো থেকে সারাদেশের মতো গুরুদাসপুরেও দুম্বার মাংস এসেছে। ১৬ টি কাটুনে প্যাকেটজাত করে মাংসগুলো পাঠানো হয়। ৩৩ কেজির প্রতিটি কাটুনে প্রায় চার কেজির ৮টি প্যাকেট ছিল। মাংসগুলো গুরুদাসপুর উপজেলার অন্তত ২৬ টি কওমী মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়। এসব মাদ্রাসায় লিল্লাহ বোর্ডিং, এতিমখানা এবং আবাসিক ছাত্রাবাস রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা আক্তার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান মণ্ডল উপস্থিত থেকে মাদরাসার শিক্ষকদের ওই মাংস তুলে দেন। এসময় ২৬টি মাদরাসার ৫০জন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
মাদ্রাসার শিক্ষকরা জানান, আরব দেশের পাঠানো দুম্বার মাংস পেয়ে তারা আনন্দিত। বিশেষ করে এতিমখানা গুলোর শিক্ষার্থীরা বিদেশি এই পশুর মাংস খেতে পারবে। এতে মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বাসিত। এর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য দোয়া করেছেন তারা।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান মণ্ডল বলেন, গুরুদাসপুরের ছয়টি ইউনিয়ন ও পৌর সদরের কওমি মাদ্রাসাগুলোর তালিকা করে দুম্বার মাংসগুলো বন্টন করা হয়েছে।
গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা আক্তার বলেন, দুম্বার মাংসগুলো কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকদের মধ্যে সুসমভাবে বন্টন করে দেয়া হয়েছে। এতে মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও বেশ আনন্দিত।