১৩ অক্টোবর, ২০২৪

জাল সনদধারী শিক্ষকদের বেতনের টাকা ফেরতের নির্দেশ

জাল সনদধারী শিক্ষকদের বেতনের টাকা ফেরতের নির্দেশ

নিবন্ধন সনদ জাল হওয়ায় চাকুরি হারাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন কলেজের ২০২ শিক্ষক। এসব শিক্ষকদের মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বেতন বন্ধের সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে নেওয়া সরকারি বেতন ভাতার টাকা ফেরত দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। 

আরো পড়ুন———

» পাঠ্যপুস্তক নিয়ে রাজনীতির খেলা বন্ধের আহ্বান শিক্ষাবিদদের

» বৈষম্যের আবর্তে ঘরে এমপিও শিক্ষকদের জীবন

»  বদলি নিয়ে বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য সুখবর

» আগে বদলি পরে গণবিজ্ঞপ্তি

» বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হবে: শিক্ষা উপদেষ্টা


১ অক্টোবর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর সারা দেশের বিভিন্ন কলেজে চাকুরিরত  জাল সনদধারী ২০২ শিক্ষকের তালিকা প্রকাশ করেছে। ওই তালিকায় নাটোর জেলার ১৯ শিক্ষক রয়েছেন। মুক্ত প্রভাতকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক (কলেজ-৩) তপন কুমার দাস।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ৩৬৪৪ নম্বর স্মারকে প্রকাশিত ওই তালিকা ঘেঁটে দেখা গেছে— জাল নিবন্ধন সনদ দাখিল করে চাকরি নেওয়ার পর থেকে অবৈধভাবে সরকারি বেতন ভাতা উত্তোলন করছেন অভিযুক্ত কৃষকেরা। 

সূত্র বলছে, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সভাপতি এবং অধ্যক্ষ মিলে জাল সনদ যাচাই না করেই অভিযুক্তদের চাকরি দিয়েছেন। এসব ব্যক্তিরা আবার এমপিওভুক্ত হয়ে সরকারি সুবিধাও নিচ্ছেন। এই দায় অধ্যক্ষ এবং পরিচালনা কমিটির সভাপতি এড়াতে পারেন না।

আরো পড়ুন———

» শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে শিক্ষকদের কর্মসূচি শুরু

» বেসরকারি শিক্ষকরা বদলির সুযোগ পাচ্ছেন

» যেসব শর্তে বদলি হতে পারবেন বেসরকারি শিক্ষকরা


মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক (কলেজ-৩) তপন কুমার দাস বলেন, প্রকাশিত ওই তালিকায় শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে পত্র ইস্যুর ১০ কর্মদিবসের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৭ দফা ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে জাল সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও বন্ধ করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে চাকুরিচ্যুত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব কলেজের বেশ কয়েকজন শিক্ষক বলেন, এর আগেও জাল নিবন্ধন সনদের বিষয়ে তোরজোর হয়েছে। একারণে বছর খানেক আগে অভিযুক্ত শিক্ষকরা উচ্চ আদালতে রিট করে রায়ও পেয়েছেন। তবুও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জাল সনদের তালিকায় এসব শিক্ষকের নাম এসেছে। 

আনেক জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাল নিবন্ধনের বিষয়ে চিঠি না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।