বগুড়ার ধুনট পৌর এলাকায় ইছামতি নদীতে ভাইয়ের সাথে মাছ ধরতে নদীতে নেমে নিখোঁজের ১৪ ঘন্টা পর শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবার (১০) ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগষ্ট) সকাল ৭টার দিকে পৌর এলাকার সরকারপাড়া কালিবাড়ি শ্মশান ঘাট এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত উম্মে হাবিবা উপজেলার চান্দারপাড়া গ্রামের পূর্ব পাড়ার সিএনজি চালক রায়হান সরকারের মেয়ে এবং ভরনশাহী মডেল একাডেমীর শিক্ষার্থী।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেল ৫টার দিকে উম্মে হাবিবা তার বড় ভাই জুনায়েদ আহম্মেদের (১২) সাথে জাল দিয়ে মাছ ধরার জন্য ইছামতি নদীর দাসপাড়া ঘাটের প্রায় ২০০ গজ উজানে নেমেছিল। দুই ভাই-বোন সাঁতার জানে না।
এ অবস্থায় মাছ শিকারের এক পর্যায়ে অথৈ পানির প্রবল স্রোতে ডুবে যায় উম্মে হাবিবা। এ সময় ছোট বোনকে বাঁচাতে জুনায়েদ চিৎকার করতে থাকে। স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌছার আগেই উম্মে হাবিবা নদীর পানিতে নিখোঁজ হয়ে যায়।
এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের ৫ সদস্যর ডুবুরি দল ইছামতি নদী থেকে নিখোঁজ শিশুটিকে অনুসন্ধান করতে থাকে। এক পর্যায়ে সকাল ৭টার দিকে ডুবে যাওয়া স্থানের দুই কিলোমিটার ভাটিতে সরকারপাড়া গ্রামের কালিবাড়ি শ্মশান ঘাট এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের টিম লিডার আব্দুর রাজ্জাক এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ইছামতি নদীতে নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধার করে আইনী প্রক্রিয়া শেষে তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।